বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামছে। এই সিরিজের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বৃহস্পতিবার ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে, যেখানে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকারকে রাখা হয়েছে দলের নেতৃত্বে। দলে নতুন সংযোজন: উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন এবারের দলে […]
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামছে। এই সিরিজের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বৃহস্পতিবার ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে, যেখানে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকারকে রাখা হয়েছে দলের নেতৃত্বে।
দলে নতুন সংযোজন: উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন
এবারের দলে সবচেয়ে আলোচনার বিষয় হলো নতুন মুখ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের অন্তর্ভুক্তি। অঙ্কন আগে জাতীয় দলের হয়ে একটি টেস্ট খেলেছেন, তবে ওয়ানডে দলে এটি তার প্রথম সুযোগ। তার কিপিং দক্ষতা ও ব্যাটিংয়ে সামর্থ্য দলের ব্যালান্স বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ দলটি সৌম্য সরকারের নেতৃত্বে মাঠে নামবে, যিনি দীর্ঘদিন ধরেই দেশের ওয়ানডে দলের প্রধান ব্যাটসম্যানদের একজন। তার সঙ্গে থাকবে শান্ত, সাইফ ইসলাম ও তানজিদ তামিমের মতো ব্যাটসম্যানরা, যারা দলের ব্যাটিং অর্ডারকে শক্তিশালী করবে। মিডল অর্ডারে তরুণ তাওহীদ হৃদয় ও শামীম পাটোয়ারি দায়িত্ব পালন করবেন। পেস আক্রমণে তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ ও তানজিম হাসান সাকিবকে নিয়ে সকলেই প্রস্তুত।
বাদ পড়া খেলোয়াড় ও চোটজনিত কারণে দলীয় পরিবর্তন
ফেব্রুয়ারিতে ওয়ানডে খেললেও দীর্ঘ সময় চোট ও ভিসার জটিলতার কারণে মাঠে দেখা যায়নি সৌম্য সরকারকে। তার ফিটনেস এখন পুরোপুরি ফিরে এসেছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তান সিরিজে থাকা মোহাম্মদ নাঈম ও নাহিদ রানার এই সিরিজে সুযোগ হয়নি। এছাড়া লিটন দাসের চোটের কারণে তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এই তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ ১৮ অক্টোবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ যথাক্রমে ২১ ও ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ম্যাচ দুপুর দেড়টায় শুরু হবে। সিরিজ শেষে ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবে, যেখানে পরবর্তী সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ দলের এই ওয়ানডে সিরিজটি আগামী আইসিসি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভালো পারফরম্যান্স দলকে আত্মবিশ্বাস দেবে। নতুন খেলোয়াড় অঙ্কনের সুযোগ পাওয়ায় তরুণদের দেওয়া সুযোগ ও তাদের পারফরম্যান্সের ওপর অনেকের দৃষ্টি থাকবে। এছাড়া অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ফিটনেস ফিরে পাওয়া দলকে আরও শক্তিশালী করবে, যা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান মজবুত করবে।
এছাড়া, দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এই সিরিজ একটি উত্তেজনাপূর্ণ সময়, যেখানে নতুন ও পুরনো খেলোয়াড়দের মিশেলে দল কেমন পারফর্ম করে তা দেখতে পাবেন তারা সরাসরি।