সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:৩৭ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর জীবিত উদ্ধার সেই নারী

ভারতের বিহারের রোহতাস জেলায় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছিল এক ব্যক্তিকে। কিন্তু ১২ বছর পর সেই স্ত্রীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এতে পুরোনো হত্যা মামলাটি নতুন মোড় নিয়েছে। ২০১৪ সালে রোহতাস জেলার একটি গ্রাম থেকে শকুন্তলা দেবী নামে ওই নারী নিখোঁজ হন। তাঁর ভাই থানায় অভিযোগ করেন, যৌতুকের দাবিতে শ্বশুরবাড়ির লোকজন […]

স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর জীবিত উদ্ধার সেই নারী

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ভারতের বিহারের রোহতাস জেলায় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছিল এক ব্যক্তিকে। কিন্তু ১২ বছর পর সেই স্ত্রীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এতে পুরোনো হত্যা মামলাটি নতুন মোড় নিয়েছে।

২০১৪ সালে রোহতাস জেলার একটি গ্রাম থেকে শকুন্তলা দেবী নামে ওই নারী নিখোঁজ হন। তাঁর ভাই থানায় অভিযোগ করেন, যৌতুকের দাবিতে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে নির্যাতন করতেন।

মামলা দায়েরের দুই দিন পর খান্ডা গ্রামের কাছে একটি খাল থেকে এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শকুন্তলার ভাই ও স্থানীয় এক কর্মকর্তা মরদেহটি শকুন্তলার বলে শনাক্ত করেন। পরে ময়নাতদন্তের পর মামলায় হত্যার ধারা যুক্ত করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ শকুন্তলার স্বামী অরুণ মেহতা, শ্বশুর দিলীপ মেহতা এবং দেবর গোবিন্দ কুমারসহ পরিবারের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। অরুণ মেহতা কিছুদিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান।

মেহতা পরিবারের দাবি, শকুন্তলার পরিবার তাঁদের কাছে আট লাখ রুপি দাবি করেছিল। পরে পৈতৃক জমি বিক্রি করে আর্থিক সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।

১২ বছর পর নতুন তথ্য

দীর্ঘ ১২ বছর ধরে সবাই ধরে নিয়েছিলেন শকুন্তলা মারা গেছেন। সম্প্রতি তাঁর শ্বশুর খবর পান, প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডে তাঁকে দেখা গেছে। পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাঁকে শনাক্ত করেন।

পরে রোহতাস পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে অভিযান চালিয়ে ঝাড়খণ্ডের গড়ওয়া জেলার লাভারি গ্রাম থেকে শকুন্তলা দেবীকে উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, সেখানে তিনি ‘কান্তি দেবী’ নাম ব্যবহার করে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে বসবাস করছিলেন।

পুরোনো হত্যা মামলায় নতুন জটিলতা

শকুন্তলাকে রোহতাসে ফিরিয়ে এনে সাসারামের আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

তবে শকুন্তলা জীবিত অবস্থায় ফিরে আসায় ২০১৪ সালের হত্যা মামলাটি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ওই সময় খাল থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর প্রকৃত পরিচয় কী ছিল এবং শকুন্তলার ভাই কীভাবে ভুল মরদেহ শনাক্ত করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখতে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে রোহতাস জেলা পুলিশ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ