বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার পৃথক বার্তায় এসব দেশের নেতারা বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানান। চীনচীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অংশীদার। পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত […]
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার পৃথক বার্তায় এসব দেশের নেতারা বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানান।
চীন
চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অংশীদার। পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের কথাও উল্লেখ করেন।
এছাড়া চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই পৃথকভাবে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বার্তায় বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বকে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্ব দেয় এবং ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাশিয়া
বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জি খোজিন বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা বাংলাদেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন।
যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস শুভেচ্ছা বার্তায় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে সম্মান, অভিন্ন মূল্যবোধ ও কমনওয়েলথের বন্ধনের কথা উল্লেখ করেন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।
পাকিস্তান
পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
ভারত
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শুভেচ্ছা বার্তায় দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
ইতালি
ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাতারেল্লা বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে। তিনি ইউরোপীয় প্রেক্ষাপটে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।