অস্ত্রোপচারের জন্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলিউড অভিনেতা ও বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে কলকাতার ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসসংলগ্ন একটি হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে হাতে চোট পাওয়ার পর অস্ত্রোপচারের সময় মিঠুন চক্রবর্তীর ডান হাতে একটি প্লেট বসানো হয়েছিল। এবার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে […]
ছবি: সংগৃহীত
অস্ত্রোপচারের জন্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলিউড অভিনেতা ও বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে কলকাতার ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসসংলগ্ন একটি হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে হাতে চোট পাওয়ার পর অস্ত্রোপচারের সময় মিঠুন চক্রবর্তীর ডান হাতে একটি প্লেট বসানো হয়েছিল। এবার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেই প্লেটটি অপসারণ করা হয়েছে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে মিঠুন চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে।
এদিকে মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে শুক্রবার সকালে হাসপাতালে যান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। চিনার পার্কের বাসা থেকে সরাসরি বাইপাসসংলগ্ন ওই হাসপাতালে যান তিনি। সেখানে মিঠুনের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। পরে চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন শুভেন্দু।
হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মিঠুন চক্রবর্তী ‘বাংলার সম্পদ’। তার সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শুভেন্দু বলেন, মিঠুনের ছোট একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে ভালো আছেন। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে ‘রাষ্ট্রবাদী সরকার’ প্রতিষ্ঠার পেছনে মিঠুনের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে হাসপাতালে সাক্ষাতের ছবিও প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী।
এর আগে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
মিঠুন চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত। বিজেপির রাজনীতিতে সক্রিয় এই অভিনেতার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার ভক্ত ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে চিকিৎসকদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।