সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আইন ও বিচার
৫:১৯ অপরাহ্ন, ৮ আগস্ট ২০২৬

হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে: ট্রাইব্যুনাল

২০১৫ সালে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে র‍্যাবের টিএফআই সেলে বন্দি রেখে নির্যাতন ও গুমের ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ র‍্যাব ও পুলিশের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। শনিবার (৮ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্তে উঠে এসেছে—শেখ হাসিনার নির্দেশনাতেই বিএনপির তৎকালীন যুগ্ম […]

হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে: ট্রাইব্যুনাল
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

২০১৫ সালে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে র‍্যাবের টিএফআই সেলে বন্দি রেখে নির্যাতন ও গুমের ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ র‍্যাব ও পুলিশের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

শনিবার (৮ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্তে উঠে এসেছে—শেখ হাসিনার নির্দেশনাতেই বিএনপির তৎকালীন যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা হয়েছিল। দ্রুত তদন্ত শেষ করে সংশ্লিষ্টদের বিচারের মুখোমুখি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের পর ভারতে পাচারের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তাদের ভূমিকাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে মৌখিক জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই তার আনুষ্ঠানিক জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, সালাহউদ্দিন আহমদকে র‍্যাবের টিএফআই সেলে আটকে রাখার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া গেছে গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা ও আইনজীবী সোহেলের দেওয়া জবানবন্দিতে। তার জবানবন্দিতেও সালাহউদ্দিন আহমদকে টিএফআই সেলে গুম করে রাখার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।

২০১৫ সালের মার্চে ঢাকার উত্তরা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় দুই মাস পর ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে সালাহউদ্দিন আহমদকে উদ্ধার করা হয়। পরে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি দেশে ফেরেন।

ট্রাইব্যুনালের তদন্তে এখন তার নিখোঁজ হওয়া, আটক রাখা এবং পরবর্তী সময়ে ভারতে পৌঁছানোর ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ