বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বন্ধু দীপকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফের সঙ্গে প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন দীপ। তবে এ ঘটনায় তাঁর ভূমিকা কী, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে দীপকে হেফাজতে […]
ছবি: সংগৃহীত
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বন্ধু দীপকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফের সঙ্গে প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন দীপ। তবে এ ঘটনায় তাঁর ভূমিকা কী, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে দীপকে হেফাজতে নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন। ওই কর্মকর্তা জানান, তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় দীপকে পিবিআইয়ের সদস্যরা নিয়ে গেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাঁর জানা নেই।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসার তৃতীয় তলা থেকে দীপকে নিয়ে যান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। দীপ ওই এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজার ছেলে।
তাহসিফ নিখোঁজ হওয়ার আগের সময়ের সিসিটিভি ফুটেজে তাঁর সঙ্গে এক ব্যক্তিকে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে দীপ হিসেবে শনাক্ত করেন।
ফুটেজ অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের একটি গ্যারেজের সামনে তাহসিফের সঙ্গে ওই ব্যক্তির দেখা হয়। পরে তাঁরা হাত মেলান এবং আলাদা দুটি মোটরসাইকেলে সেখান থেকে চলে যান।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দীপের ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। পরে দীপ তাঁদের জানিয়েছিলেন, তাহসিফের মোটরসাইকেলে সমস্যা দেখা দেওয়ায় তাঁরা একটি ওয়ার্কশপে যান। মোটরসাইকেল মেরামতের পর তাঁরা বাসায় ফিরে খাবার খান। এরপর দীপ চলে যান বলে তিনি জানিয়েছিলেন।
তাহসিফের নিখোঁজ হওয়া এবং পরে তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত চলছে। দীপকে হেফাজতে নেওয়ার কারণ এবং এ ঘটনায় তাঁর সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।