কুমিল্লার দেবিদ্বারের ১৫২ জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষক জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন এবং সংসদে বসে বাজেট অধিবেশন দেখার সুযোগ পেয়েছেন। সোমবার (৮ জুন) কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর আমন্ত্রণে শিক্ষার্থীরা এই সুযোগ পান। দেবিদ্বারের বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে অষ্টম ও পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শন এবং অধিবেশন দেখার ব্যবস্থা করা […]
ছবি: সংগৃহীত
কুমিল্লার দেবিদ্বারের ১৫২ জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষক জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন এবং সংসদে বসে বাজেট অধিবেশন দেখার সুযোগ পেয়েছেন।
সোমবার (৮ জুন) কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর আমন্ত্রণে শিক্ষার্থীরা এই সুযোগ পান। দেবিদ্বারের বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে অষ্টম ও পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শন এবং অধিবেশন দেখার ব্যবস্থা করা হয়।
সংসদ পরিদর্শন শেষে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের হাতে উপহার তুলে দেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবন ও সংসদের কার্যক্রম সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়ে তারা আনন্দ প্রকাশ করে।
নবিয়াবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, দেবিদ্বারের ইতিহাসে এই প্রথম শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদ ভবন এবং সংসদ অধিবেশন পরিদর্শনের সুযোগ পেল। এই আসনের সংসদ সদস্য ও দেবিদ্বারের সন্তান হাসনাত আবদুল্লাহ এই উদ্যোগ নিয়েছেন। আজ শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, পুরো দেবিদ্বারবাসী গর্বিত। এই অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করবে। তাদের চোখেমুখে ছিল আনন্দ ও উচ্ছ্বাস। আমরা এ জন্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “এখানে একদিন তোমাদেরই আসতে হবে। একদিন তোমাদেরকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। তোমাদের স্বপ্ন দেখতে হবে। সেই কারণেই তোমাদের এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। আজ যাদের বক্তব্য শুনেছো, একদিন তোমরাই তাদের জায়গায় দাঁড়াবে।”
তিনি আরও বলেন, “এখানে কে গরিবের সন্তান আর কে ধনীর সন্তান, সেটি বিবেচনা করা হয়নি। দেবিদ্বারের বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরই সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদের এখানে আনার মূল উদ্দেশ্য হলো, তারা যেন বড় স্বপ্ন দেখতে শেখে এবং দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে।”
এই উদ্যোগকে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সংসদের কার্যক্রম সরাসরি দেখার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ এবং দেশ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।