সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

রাজনীতি
১:৫৮ অপরাহ্ন, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার: কোন কোন খাতে গুরুত্ব, কী প্রতিশ্রুতি ?

‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূল দর্শনকে সামনে রেখে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নিজেদের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার তুলে ধরেন। রাষ্ট্র পরিচালনা, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি এবং অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন—এই পাঁচটি প্রধান অধ্যায়ে বিভক্ত ইশতেহারে একটি সমন্বিত উন্নয়ন কাঠামোর […]

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার: কোন কোন খাতে গুরুত্ব, কী প্রতিশ্রুতি ?

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূল দর্শনকে সামনে রেখে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নিজেদের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার তুলে ধরেন।

রাষ্ট্র পরিচালনা, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি এবং অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন—এই পাঁচটি প্রধান অধ্যায়ে বিভক্ত ইশতেহারে একটি সমন্বিত উন্নয়ন কাঠামোর রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

ইশতেহারের প্রথম অধ্যায়ে রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার প্রতিফলন, সংবিধান সংস্কার, জাতীয় ঐক্য জোরদার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, পুলিশ বাহিনীর সংস্কার এবং শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

দ্বিতীয় অধ্যায়ে গুরুত্ব পেয়েছে বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন। এতে দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, শ্রমিক ও প্রবাসীদের কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তৃতীয় অধ্যায়ে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যাংক ও আর্থিক খাত সংস্কার, শিল্প ও সেবা খাতের বিকাশ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন, পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

চতুর্থ অধ্যায়ে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের পরিকল্পনা স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা, হাওর-বাঁওড় ও উপকূলীয় এলাকার উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ, আবাসন খাতের সম্প্রসারণ, নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা নির্মাণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

সবশেষ পঞ্চম অধ্যায়ে ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি খাতের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা, পাহাড় ও সমতলের জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা, ক্রীড়া উন্নয়ন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, শিল্প-সংস্কৃতি চর্চা বিস্তৃত করা এবং নৈতিকতার পুনর্জাগরণের অঙ্গীকার করা হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ