সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বাংলাদেশ
১:৫৩ অপরাহ্ন, ২৩ জুলাই ২০২৬

তীব্র খাদ্যসংকটের ঝুঁকিতে বাংলাদেশে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ: ডব্লিউএফপি

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, সারসংকট ও খাদ্য উৎপাদনে সম্ভাব্য চাপের কারণে বাংলাদেশে বড় ধরনের খাদ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশে প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়তে পারেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরিয়ার দাম […]

তীব্র খাদ্যসংকটের ঝুঁকিতে বাংলাদেশে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ: ডব্লিউএফপি

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, সারসংকট ও খাদ্য উৎপাদনে সম্ভাব্য চাপের কারণে বাংলাদেশে বড় ধরনের খাদ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশে প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়তে পারেন।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরিয়ার দাম দ্রুত বেড়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে, কারণ দেশটি ইউরিয়া সারের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে।

ডব্লিউএফপির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ তার ইউরিয়া সারের প্রায় ৮০ শতাংশ সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সংগ্রহ করে। বর্তমানে যে মজুদ রয়েছে, তা অক্টোবর পর্যন্ত চাহিদা মেটাতে সক্ষম হলেও নতুন করে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে সংকট তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি সময়ে ইউরিয়ার দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে গ্যাস সংকটের কারণে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচটি ইউরিয়া কারখানার মধ্যে তিনটি উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। এতে সার সরবরাহে চাপ আরও বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সার সরবরাহ ও কৃষি উৎপাদনে এমন চাপ তৈরি হলে তা ধীরে ধীরে খাদ্য উৎপাদন, বাজারমূল্য এবং গ্রামীণ জীবিকায় প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফল হিসেবে খাদ্যঝুঁকির মধ্যে থাকা মানুষের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ডব্লিউএফপি বলেছে, পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে বাংলাদেশের কৃষি খাত আরও চাপে পড়বে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারগুলো খাদ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

প্রতিবেদনটি খাদ্য নিরাপত্তা, সার আমদানি এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় জরুরি নজরদারি ও বিকল্প পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ