শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর কথিত গোপন তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রকাশিত একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৪২ জন শিক্ষকের নাম আসার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগের সত্যতা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় এবং তথ্যের যথার্থতা যাচাই করতেই এই তদন্ত কমিটি গঠন […]
ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর কথিত গোপন তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রকাশিত একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৪২ জন শিক্ষকের নাম আসার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগের সত্যতা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় এবং তথ্যের যথার্থতা যাচাই করতেই এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম-২কে।
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, প্রকাশিত প্রতিবেদনে কয়েকজন শিক্ষকের নাম সংক্ষিপ্ত বা ডাকনামে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই প্রকৃত ব্যক্তিদের শনাক্ত করাও তদন্ত কমিটির অন্যতম দায়িত্ব।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে এবং প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত করতেই ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা হবে না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।