যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। এই ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কোন ধরনের কাজ বা কার্যক্রম করা যায় না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে দূতাবাস। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় নিষিদ্ধ কার্যক্রমগুলোর কথা তুলে ধরা হয়। দূতাবাস জানিয়েছে, বি১/বি২ ভিসা […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। এই ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কোন ধরনের কাজ বা কার্যক্রম করা যায় না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে দূতাবাস।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় নিষিদ্ধ কার্যক্রমগুলোর কথা তুলে ধরা হয়।
দূতাবাস জানিয়েছে, বি১/বি২ ভিসা মূলত অস্থায়ী ও সীমিত সময়ের ভ্রমণের জন্য। কিন্তু এই ভিসা ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কিছু কার্যক্রম করার অনুমতি নেই।
এর মধ্যে রয়েছে—শিশুর জন্মের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশটিতে যাওয়া বা ‘বার্থ ট্যুরিজম’, কোনো মার্কিন নিয়োগকর্তা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পারিশ্রমিক নিয়ে কাজ করা এবং ডিগ্রি বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেডিট পাওয়ার জন্য পড়াশোনা করা।
এ ছাড়া পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কোনো ধরনের কাজ করাও বি১/বি২ ভিজিটর ভিসার আওতায় অনুমোদিত নয়।
সাধারণভাবে ব্যবসায়িক কাজে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের জন্য বি১ ভিসা এবং পর্যটন, অবকাশযাপন বা চিকিৎসার মতো উদ্দেশ্যে বি২ ভিসা দেওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে একই ভিসায় দুই ধরনের ভ্রমণ উদ্দেশ্য একসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত থাকে।
মার্কিন দূতাবাসের সাম্প্রতিক সতর্কবার্তার মূল উদ্দেশ্য হলো, ভিজিটর ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কেউ যেন অনুমোদিত ভ্রমণ কার্যক্রমের বাইরে কাজ বা পড়াশোনার মতো কর্মকাণ্ডে না জড়ান।
ভিসার শর্ত ভঙ্গ করলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই ভিসার ধরন অনুযায়ী অনুমোদিত কার্যক্রম সম্পর্কে আগে থেকেই পরিষ্কার ধারণা নিয়ে ভ্রমণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২২ আগস্ট বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদেরও সতর্ক করেছিল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।