সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
৯:০৪ পূর্বাহ্ন, ৪ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পালাবদল

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। নির্বাচনের ফলাফলে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট, উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার চিত্র উঠে এসেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের মাঝপথে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে তাঁর প্রশাসনের নীতি, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও নেতৃত্বের প্রতি ভোটারদের মনোভাবের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ […]

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পালাবদল

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। নির্বাচনের ফলাফলে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট, উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার চিত্র উঠে এসেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের মাঝপথে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে তাঁর প্রশাসনের নীতি, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও নেতৃত্বের প্রতি ভোটারদের মনোভাবের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। দীর্ঘদিন রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও দলটির প্রার্থীদের পরাজয়ের মুখে পড়তে হয়েছে। এর ফলে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) ও রয়টার্সের নির্বাচনী প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ডেমোক্র্যাটরা। তবে নির্বাচনী রাতের প্রাথমিক ফলাফল, সংবাদমাধ্যমের বিজয়ী ঘোষণা এবং চূড়ান্ত সরকারি ফলাফলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সব ভোট গণনা ও আনুষ্ঠানিক প্রত্যয়ন শেষ হওয়ার আগে কিছু আসনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

ট্রাম্পের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা

মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলকে ভোটারদের অসন্তোষের মুখে পড়তে হয়। ২০২৬ সালের নির্বাচনেও সেই প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে বলে নির্বাচনী বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং সরকারের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ ডেমোক্র্যাটদের প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ডেমোক্র্যাটরা দুর্নীতির অভিযোগ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়গুলো সামনে রেখে প্রচার চালায়। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা অভিবাসন, সংস্কৃতিগত বিতর্ক ও ডেমোক্র্যাটদের রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে।

নির্বাচনের আগে ট্রাম্প বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন এবং সমর্থকদের ভোট দিতে উৎসাহিত করেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে তাঁর সমর্থিত প্রার্থীরাও পরাজিত হয়েছেন।

এপির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ভোটারদের একটি বড় অংশ এই নির্বাচনকে প্রেসিডেন্টের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের সুযোগ হিসেবে দেখেছেন। নির্বাচনের ফলাফল তাই শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যার পরিবর্তন নয়, ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে।

সিনেটেও ডেমোক্র্যাটদের প্রত্যাবর্তন

এবারের নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ডেমোক্র্যাটরা এমন কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছেন, যেগুলোকে আগে রিপাবলিকানদের শক্তিশালী অবস্থান হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

টেক্সাসে ডেমোক্র্যাট জেমস তালারিকো সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে অঙ্গরাজ্যটিতে কোনো ডেমোক্র্যাটের রাজ্যব্যাপী নির্বাচনে জয় না পাওয়ার পর এই ফলাফলকে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাউথ ক্যারোলাইনায় ডেমোক্র্যাট অ্যানি অ্যান্ড্রুজও রিপাবলিকান প্রার্থীকে পরাজিত করে সিনেটের আসনটি নিজেদের দখলে নেন। মিশিগান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যেও ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য দলটির অবস্থান শক্তিশালী করেছে।

মেইনে রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্সের দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়েরও অবসান হয়েছে। প্রায় তিন দশক ধরে সিনেটে থাকা কলিন্স নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

কানসাসে ডেমোক্র্যাট অ্যাডাম হ্যামিলটনের জয়ও দলটির জন্য উল্লেখযোগ্য ঘটনা। অঙ্গরাজ্যটিতে প্রায় এক শতাব্দী পর একজন ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের ফলাফল নিয়ে নির্বাচনী রাতের বিভিন্ন প্রতিবেদনে গণনা ও বিজয়ী ঘোষণার পর্যায়ে পার্থক্য ছিল।

প্রতিনিধি পরিষদেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল রিপাবলিকানরা

প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারানো রিপাবলিকানদের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা। নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে দলটির সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতে ডেমোক্র্যাটদের সাফল্যে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে।

নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতে জয় পেয়েছেন। এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হওয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ২০টি আসনেই ডেমোক্র্যাটদের জয় আসে।

প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ায় ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিসের স্পিকার হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তবে নতুন কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব নির্বাচন ও দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে।

কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের আইন প্রণয়ন ও নীতিগত উদ্যোগ বাস্তবায়ন আরও কঠিন হতে পারে।

নিউইয়র্কে হকুলের জয়, ললারের আসনে পরিবর্তন

নিউইয়র্কেও এবারের নির্বাচন ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ও বর্তমান গভর্নর ক্যাথি হকুল রিপাবলিকান প্রার্থী ব্রুস ব্লেকম্যানকে পরাজিত করে দ্বিতীয় পূর্ণ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

নিউইয়র্কের প্রথম নারী গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হকুল ২০২১ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এবারের নির্বাচনে তাঁর জয় অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান ধরে রাখার গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে লেটিশিয়া জেমস এবং কম্পট্রোলার পদে থমাস ডিনাপোলিও পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন বলে নির্বাচনী প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে নিউইয়র্কের ১৭তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের নির্বাচন ছিল জাতীয় রাজনীতির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান মাইক ললারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কেইট কনলি।

নির্বাচনে ললার পরাজয় স্বীকার করে কনলির কাছে হার মেনে নেন। এই আসনটি হাডসন ভ্যালি অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসন হিসেবে পরিচিত। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণেও আসনটির গুরুত্ব ছিল।

এদিকে নিউইয়র্ক সিটির কয়েকটি কংগ্রেসনাল আসনেও ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য দেখা গেছে। ব্র্যাড ল্যান্ডার, দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের ও ক্লেয়ার ভালদেজ কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

নিউইয়র্ক সিটির ভোটাররা নগর প্রশাসন, সরকারি ব্যয় ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা সম্পর্কিত ব্যালট প্রস্তাব নিয়েও ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে নগর সরকারের কার্যক্রম সহজ করা, চুক্তি ব্যবস্থার সংস্কার, সড়ক নিরাপত্তা এবং ভবন নির্মাণের অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রস্তাব ছিল।

ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ জীবনযাত্রার ব্যয়

নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে জীবনযাত্রার ব্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, আবাসন ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবারের দৈনন্দিন খরচ নিয়ে ভোটারদের উদ্বেগ নির্বাচনী প্রচারে প্রভাব ফেলেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। পাশাপাশি প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও প্রচারের অংশ ছিল।

অন্যদিকে রিপাবলিকানরা অভিবাসন ও সামাজিক নীতির বিতর্ককে সামনে আনেন। তবে নির্বাচনী জরিপ ও ভোটারদের প্রতিক্রিয়ায় অর্থনৈতিক উদ্বেগ বড় জায়গা দখল করে ছিল।

নির্বাচনী ফলাফল থেকে বোঝা যাচ্ছে, শুধু দলীয় সমর্থন নয়, ভোটারদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলোও মধ্যবর্তী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ

কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে ট্রাম্প প্রশাসনকে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে।

প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে ডেমোক্র্যাটরা কমিটি পরিচালনা, শুনানি আয়োজন, তদন্ত এবং আইন প্রণয়নের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে। প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে নজরদারি বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হবে।

সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ডেমোক্র্যাটদের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রেসিডেন্টের মনোনীত বিভিন্ন পদে নিয়োগ অনুমোদন এবং বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে সিনেটের সাংবিধানিক ভূমিকা রয়েছে।

তবে কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই সব নীতি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। আইন পাসের প্রক্রিয়া, দলীয় ঐকমত্য এবং প্রেসিডেন্টের সম্মতি বা ভেটোসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

ট্রাম্প নির্বাচনের ফলাফলকে ব্যক্তিগত পরাজয় হিসেবে মানতে চাননি বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ব্যালটে তাঁর নাম থাকলে রিপাবলিকানরা বড় ব্যবধানে জিতত। একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কিছু বিষয়ে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন এবং অপছন্দের আইন ভেটো দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

সামনে কী

নির্বাচনের পর নতুন কংগ্রেসের সদস্যরা আগামী জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এর আগে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ভোট গণনা, ফলাফল যাচাই এবং আনুষ্ঠানিক প্রত্যয়নের কাজ সম্পন্ন হবে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের আগামী দুই বছরের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। বাজেট, অভিবাসন, করনীতি, স্বাস্থ্যসেবা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও প্রশাসনিক জবাবদিহির মতো বিষয়গুলোতে কংগ্রেস ও হোয়াইট হাউসের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়তে পারে।

২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে দুই দলের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণেও এই ফলাফল ভূমিকা রাখবে।

সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এই নির্বাচনী সাফল্যকে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমর্থনে রূপ দিতে দলটির সামনে এখন নীতি বাস্তবায়ন ও ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ