অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ১১ দলের মধ্যে বাংলাদেশ ‘এ’ দল হয়েছিল নবম। আগামী বছর অস্ট্র্রেলিয়ায় বাংলাদেশ দল টেস্ট সিরিজ খেলতে যাবে। তার প্রস্তুতি হিসাবে একগাদা টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে বাংলাদেশ ‘এ’ সাজানো হয়েছে। সেই দলই চারদিনের একমাত্র ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়ল। বৃহস্পতিবার ডারউইনে প্রথমদিনে সফরকারীরা প্রথম ইনিংসে টিকতে পারেনি ৩৫ ওভারও। গুটিয়ে গেছে মাত্র ১১৪ […]
অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ১১ দলের মধ্যে বাংলাদেশ ‘এ’ দল হয়েছিল নবম। আগামী বছর অস্ট্র্রেলিয়ায় বাংলাদেশ দল টেস্ট সিরিজ খেলতে যাবে। তার প্রস্তুতি হিসাবে একগাদা টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে বাংলাদেশ ‘এ’ সাজানো হয়েছে। সেই দলই চারদিনের একমাত্র ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়ল। বৃহস্পতিবার ডারউইনে প্রথমদিনে সফরকারীরা প্রথম ইনিংসে টিকতে পারেনি ৩৫ ওভারও।
গুটিয়ে গেছে মাত্র ১১৪ রানে। ১১ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন পেসার এনামুল হক। জবাবে সাউথ অস্ট্রেলিয়া দিন শেষ করেছে পাঁচ উইকেটে ২০৪ রানে। প্রথম দিনেই স্বাগতিকরা এগিয়ে গেছে ৯০ রানে, হাতে এখনো পাঁচ উইকেট।
বাংলাদেশের হয়ে ১৮ টেস্ট খেলেছেন মাহমুদুল হাসান। কিছুদিন আগেও ছিলেন টেস্ট দলে। ইয়াসির আলী ও শাহাদাত হোসেন খেলেছেন ছয়টি করে টেস্ট। নাঈম হাসান ও মাহিদুল ইসলাম খেলেছেন সাদা পোশাকের ক্রিকেটে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ‘এ’ দলে ছয়জন টেস্ট ক্রিকেটার রয়েছেন। বাকিরাও রয়েছেন জাতীয় দলের আশপাশে।
সেই দল নিয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। তবে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ইফতেখার হোসেন ইফতিকে (০) ফেরান ওয়েস অ্যাগার। মাহমুদুল ফেরেন ১৩ রানে। ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ সব ইনিংস খেলা অমিত হাসান করতে পারেন মাত্র দুই রান। ২৩ রানে তিন উইকেট হারায় সফরকারীরা।
এরপর শাহাদাত ও মাহিদুল ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও মাত্র ৩০ রানে ভাঙে জুটি। টানা দুই ওভারে দু’জন ফেরেন। ৪৩ বলে ২৫ করে আউট হন শাহাদাত, ৩১ বলে নয় রান করেন মাহিদুল।
এরপর ইয়াসির আলী, নাঈম হাসান, হাসান মুরাদ ও হাসান মাহমুদ ফেরেন দ্রুতই। মাত্র ১৩ রানের ব্যবধানে ছয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ এ-দলের স্কোর হয়ে যায় ৯/৬৬।
এর পরও বাংলাদেশ একশ ছাড়াতে পারে নয়ে নামা রকিবুল হাসান ও ১১ নম্বরে নামা এনামুল হকের ৪৮ রানের জুটিতে। রকিবুল ২২ এবং এনামুল ২৭* রান করেন। ওয়েস অ্যাগার ছাড়াও তিনটি করে উইকেট নেন পেসার হেনরি থর্নটন ও বাঁহাতি স্পিনার জের্সিস ওয়াদিয়া। জবাবে সাউথ অস্ট্রেলিয়াও ২৮ রানে তিন উইকেট হারায়। তবে ভেঙে পড়েনি তারা।