মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হচ্ছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন মার্কিন বাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) টেক্সাসের ডালাসে রিপাবলিকান পার্টির মধ্যবর্তী নির্বাচনী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির জন্য আগের ডেমোক্র্যাট প্রশাসনের পরিবেশ ও সবুজ জ্বালানি নীতিকে দায়ী […]
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হচ্ছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন মার্কিন বাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) টেক্সাসের ডালাসে রিপাবলিকান পার্টির মধ্যবর্তী নির্বাচনী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির জন্য আগের ডেমোক্র্যাট প্রশাসনের পরিবেশ ও সবুজ জ্বালানি নীতিকে দায়ী করেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, বর্তমান প্রশাসনের পদক্ষেপে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম দ্রুত কমেছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলেই জ্বালানি তেলের দামও দ্রুত কমে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংঘাতের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রই জিতবে এবং তারা এখনই জয় পাচ্ছে। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালি এখন পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে।
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মধ্যকার এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নাম বদলে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখার কথাও বলেন তিনি। এ নিয়ে রসিকতা করে ট্রাম্প বলেন, তাঁর এই প্রস্তাবে ইরানের নেতৃত্ব নিশ্চয়ই খুব খুশি হবে।
ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব নিয়েও কড়া মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর ভাষ্য, গত ৫১ বছর ধরে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার করে এসেছে। তবে সেই অবস্থান এখন আর নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রভাব জাহাজ চলাচলেও পড়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার মাত্র ছয়টি পণ্যবাহী জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে, যা গত ১০ দিনের গড় ১২টির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করত।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে জাহাজে হামলা ও তেল পরিবহনে বিঘ্নের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারেও তেলের দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১০৭ ডলারের ওপরে উঠে যায় বলে রয়টার্স জানিয়েছে।