এশিয়ান ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট হলো এশিয়া কাপ। ১৯৮৪ সালে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্ট প্রতি দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দল ভারত। অতীতের ১৬ আসরের মধ্যে রেকর্ড ৮ বার শিরোপা জিতেছে ভারত। শ্রীলংকা জিতেছে ৬ বার আর ২ বার জিতেছে পাকিস্তান। এশিয়ান ক্রিকেটাঙ্গনে ভারত, শ্রীলংকা আর পাকিস্তানের পরেই বাংলাদেশ দলের অবস্থান। […]
এশিয়ান ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট হলো এশিয়া কাপ। ১৯৮৪ সালে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্ট প্রতি দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দল ভারত। অতীতের ১৬ আসরের মধ্যে রেকর্ড ৮ বার শিরোপা জিতেছে ভারত। শ্রীলংকা জিতেছে ৬ বার আর ২ বার জিতেছে পাকিস্তান।
এশিয়ান ক্রিকেটাঙ্গনে ভারত, শ্রীলংকা আর পাকিস্তানের পরেই বাংলাদেশ দলের অবস্থান। কিন্তু বাংলাদেশ আজও পর্যন্ত এশিয়া কাপের স্বাদ পায়নি। সর্বোচ্চ একবার ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়ে তীরে গিয়ে তরী ডুবায়।
২০১২ সালের এশিয়া কাপের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। সেই আসরে ভারত-শ্রীলংকাকে বিদায় করে ফাইনালে উঠেও শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে মাত্র ২ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
আগামী মাসে আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়া কাপের ১৭তম আসর। আসন্ন এই আসরে বাংলাদেশ যদি ফাইনালে উঠতে পারে তাহলে শিরোপা নিয়েই ঘরে ফিরবে। এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক আকরাম খান।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) মিরপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আকরাম খান বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কেউ কিছু বলতে পারেনা, যে ভালো খেলবে সে জিতবে। এক-দুইটা ওভারে কিন্তু গেম চেঞ্জ করা যায়। আমি মনে করছি যে খুব ভালো একটা সম্ভাবনা আছে যেহেতু আমরা শ্রীলঙ্কার সাথে সিরিজ জিতেছি, পাকিস্তানের মতো দলকে হারিয়েছি। যদি আমরা প্রোপার ক্রিকেট খেলি তাহলে ইনশা আল্লাহ আমরা ভালো করবো।’
এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব কিনা প্রশ্নে আকরাম বলেন, ‘জ্বি, হানড্রেড পারসেন্ট। ফাইনাল যদি খেলতে পারেন তাহলে চ্যাম্পিয়ন কেন হতে পারবেন না! হানড্রেড পারসেন্ট (বিশ্বাস) আছে (চ্যাম্পিয়ন হওয়ার), টি-টোয়েন্টিতে আমি মনে করি ওভার কনফিডেন্ট। যদি আমরা প্রোপার ক্রিকেট খেলতে পারি।’
প্রসঙ্গত, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর আরব আমিরাতে এশিয়া কাপের পর্দা উঠবে। ফাইনাল ম্যাচ হবে ২৮ সেপ্টেম্বর। ৮টি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে অংশ নেবে। বাংলাদেশ পড়েছে ‘বি’ গ্রুপে। যেখানে তাদের সঙ্গী শ্রীলংকা, আফগানিস্তান আর হংকং। ‘বি’ গ্রুপের ৬টি ম্যাচই হবে আবুধাবিতে।