সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আইন ও বিচার
২:১২ অপরাহ্ন, ১০ আগস্ট ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন হাসিনা : হাসিনা-কাদের ও হাছান মাহমুদের ফোনালাপ

২০২৪ সালের জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। এসব নির্দেশনার মধ্যে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে র‍্যাব ও বিজিবিকে ব্যবহার এবং হেলিকপ্টার থেকে অভিযান চালানোর বিষয়ও ছিল বলে জানানো হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরসহ […]

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন হাসিনা : হাসিনা-কাদের ও হাছান মাহমুদের ফোনালাপ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ মিনিটে পড়ুন |

২০২৪ সালের জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। এসব নির্দেশনার মধ্যে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে র‍্যাব ও বিজিবিকে ব্যবহার এবং হেলিকপ্টার থেকে অভিযান চালানোর বিষয়ও ছিল বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এসব তথ্য-সংবলিত কয়েকটি ফোনালাপের রেকর্ড দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। সেখানে শেখ হাসিনা, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের মধ্যে কথোপকথনের বিভিন্ন অংশ তুলে ধরা হয়।

প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, এসব আলাপচারিতায় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবহারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাঠে নামানো, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রচারণা চালানো এবং আন্দোলনের সহিংসতার দায় আন্দোলনকারীদের ওপর চাপানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

নিচে আদালতে উপস্থাপিত ফোনালাপের বক্তব্যের ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হলো—

হাছান মাহমুদ: আপা, আসসালামু আলাইকুম। কাদের ভাই আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছেন।

শেখ হাসিনা: হ্যাঁ, বলো।

ওবায়দুল কাদের: আসসালামু আলাইকুম। সকালে ডিএমপি কমিশনার জানিয়েছে, আমরা যেমন কোনো সমাবেশ করব না, তারাও করবে না—এমন নির্দেশনা ছিল। আপনি তো এমনটাই বলেছিলেন।

শেখ হাসিনা: আমি কখন এমন নির্দেশ দিয়েছি?

ওবায়দুল কাদের: গতকাল নাছিম বলেছিল, আমরা একটা সমাবেশ করি। তখন আপনি বলেছিলেন, সমাবেশ করার প্রয়োজন নেই।

শেখ হাসিনা: কিন্তু তোমরাই তো বলেছিলে, আমাদেরও একটা সমাবেশ থাকবে।

ওবায়দুল কাদের: এখন পুলিশ কমিশনার বলছে, তারা নির্দিষ্ট কোনো সমাবেশস্থলে নেই। বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট দলে জড়ো হচ্ছে এবং সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে। কাঁটাবন, মৎস্য ভবন, পল্টন, নাইটিংগেল, বসিলা ও মিরপুরসহ কয়েকটি এলাকায় তাদের অবস্থানের কথা বলা হয়েছে।

শেখ হাসিনা: তাহলে ওইসব জায়গায় আমাদের নেতা-কর্মীদেরও থাকতে হবে। বড় একটি কর্মসূচির মাধ্যমে নেতা-কর্মীদের মাঠে নামাতে হবে। ডিএমপি কমিশনার কি আইজিপির সঙ্গে কথা বলেছে?

ওবায়দুল কাদের: সেটা পুলিশের বিষয়। আমরা আমাদের লোকজনকে বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগঠিত করছি।

শেখ হাসিনা: আমাদের লোকজনকে আরও সংগঠিত করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের: তাহলে যেখানে যেখানে তারা জড়ো হচ্ছে, সেসব এলাকার আশপাশেও আমাদের লোকজনকে জড়ো করার চেষ্টা করা যায়।

শেখ হাসিনা: সেখানে আমাদের লোকজন অবশ্যই থাকতে হবে।

ওবায়দুল কাদের: বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে বড় সমাবেশ না করে আমরা নিহতদের স্মরণে গায়েবানা জানাজা করে দোয়া করতে পারি।

শেখ হাসিনা: আমাদের নেতা-কর্মীদের সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলো।

ওবায়দুল কাদের: ঠিক আছে।

শেখ হাসিনা: যেখানে তাদের বড় জমায়েত হবে, সেখানে র‍্যাবকে দায়িত্ব দিতে হবে। বিজিবিও প্রস্তুত আছে। প্রয়োজনে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের: সন্ধ্যা ৭টার কর্মসূচির বিষয়ে ১৪ দলকেও জানিয়েছি।

শেখ হাসিনা: ১৪ দলকে কী বলা হয়েছে? মেনন ভাই তো তাদের সমর্থনের কথা বলেছেন। জামায়াত সেখানে থাকলেও সমস্যা নেই, তাদের সমর্থন দিতে হবে। মেনন ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলো।

ওবায়দুল কাদের: নওফেলকে বলা হচ্ছে, আপনারা একা লড়াই করছেন—এমন কথাও বলা হয়েছে।

শেখ হাসিনা: মেনন ভাই তো বলেছেন, আমরা রাজাকারদের বিরুদ্ধে একাই লড়ছি। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের আলোচনা চলছিল। তারা একেক সময় একেক দাবি তুলছে, পরে আবার অবস্থান পরিবর্তন করছে। তাদের নেতৃত্বও ঠিকমতো নেই।

ওবায়দুল কাদের: তাহলে বড় সমাবেশের পরিবর্তে তারা যেসব এলাকায় জড়ো হচ্ছে, সেসব জায়গার আশপাশে আমাদের লোকজন রাখি।

শেখ হাসিনা: আমাদের লোকজনকে যেন পুলিশি সহায়তা দেওয়া হয়। আমি ভেবেছিলাম তারা প্রেস ক্লাবের সামনে কর্মসূচি করবে। আর ইসলামিক দলগুলো বায়তুল মোকাররমে থাকবে।

ওবায়দুল কাদের: প্রেস ক্লাবের সামনে এখন কোনো বড় জমায়েত নেই।

শেখ হাসিনা: বায়তুল মোকাররমে কী অবস্থা?

ওবায়দুল কাদের: আমি প্রেস ক্লাবের কথাই বলছি। সেখানে এখন কোনো জমায়েত দেখা যাচ্ছে না।

শেখ হাসিনা: রিজভীকে তো গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে।

ওবায়দুল কাদের: হ্যাঁ, সেটা জানি।

শেখ হাসিনা: যাদের পারো, গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাও।

এরপর হাছান মাহমুদ আবার কথোপকথনে যুক্ত হন।

হাছান মাহমুদ: আপা, আসসালামু আলাইকুম।

শেখ হাসিনা: তুমি ফোন করেছিলে? বলো।

হাছান মাহমুদ: হ্যাঁ, তখন একটু চাপের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলাম। কাদের ভাই ফোন রাখার পর আবার কথা বলছি।

শেখ হাসিনা: ওরা আবার বিভিন্ন জায়গায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। মনে হচ্ছে শুধু আগুন দিয়ে সব পুড়িয়ে ফেলবে।

হাছান মাহমুদ: জি আপা। আপনি কাদের ভাইকে যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা: আমাদের লোকজনকে মাঠে থাকতে বলো। ওরা যদি আগুন দেয়, তাহলে তাদেরও বাড়ি-গাড়ি আছে। সেগুলো সাধারণ মানুষ দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হবে।

হাছান মাহমুদ: জি, জি।

শেখ হাসিনা: এখন অন্য কিছু করে লাভ নেই। ওরা যদি পোড়ায়, আমাদের লোকজনও পাল্টা পোড়াবে।

হাছান মাহমুদ: জি আপা। এটাকেই পাল্টা জবাব হিসেবে দেখানো হবে। কাদের ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে আমরা শুধু গায়েবানা জানাজা করে অল্প সময়ের মধ্যে চলে যেতে পারি। এরপর সবাই নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাবে।

শেখ হাসিনা: হ্যাঁ, সবাইকে নিজেদের এলাকায় যেতে হবে।

হাছান মাহমুদ: ঠিক আছে, সবাই নিজ নিজ এলাকায় চলে যাবে।

শেখ হাসিনা: বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বশীল লোক ঠিক করো। নেতা-কর্মীদেরও সেভাবে প্রস্তুত করো। প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে খবর দাও। প্রত্যেক এলাকায় তাদের নেতা-কর্মীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

হাছান মাহমুদ: জি, কাদের ভাইকে জানাচ্ছি।

ওবায়দুল কাদের: জি।

শেখ হাসিনা: সেতু ভবনেও আবার আগুন দেওয়া হচ্ছে। আমি র‍্যাব পাঠাচ্ছি। যেখানে যেখানে জমায়েত হচ্ছে, সেসব জায়গায় র‍্যাব মোতায়েনের কথা বলেছি। ওরা আগুন দিলে তাদের বাড়িঘরও আছে। আমাদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে, তাহলে তাদের বাড়িঘরেও মানুষ আগুন দেবে। তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কোথায় কোথায় আছে, সেগুলোও খুঁজে বের করো। এখন আর বসে থাকার সময় নেই।

ওবায়দুল কাদের: পুলিশ কমিশনারও একই কথা বলেছেন। আমাদের তাদের ঠেকাতে হবে।

শেখ হাসিনা: সরকারকে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বলতে হবে। আদালতে বিষয়টি চলমান থাকা অবস্থায় আন্দোলন করার প্রয়োজন কী ছিল? আদালতের ওপর আস্থা রাখা উচিত ছিল।

হাছান মাহমুদ: এটা অযৌক্তিক ছিল। ঠিক বলেছেন।

শেখ হাসিনা: শেষ পর্যন্ত তো আদালতেই বিষয়টির সমাধান হয়েছে। তাহলে আন্দোলনের কারণে এত মানুষ মারা গেল, এত সম্পদ নষ্ট হলো এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়া হলো কেন?

হাছান মাহমুদ: এই বক্তব্যটাকেই আরও জোর দিয়ে প্রচার করতে হবে।

শেখ হাসিনা: আমাদের সবাইকে একই কথা বলতে হবে। আমি আগেও বলেছি, ধৈর্য ধরতে হবে এবং আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে হবে।

হাছান মাহমুদ: ঠিক আছে। আদালতের মাধ্যমেই সমাধান হয়েছে—এটা প্রচার করা হবে।

শেখ হাসিনা: বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরো। বারবার এই কথাটাই বলতে হবে।

হাছান মাহমুদ: আমরা এ বিষয়ে ভিডিওও পাঠাব।

শেখ হাসিনা: আরেকটি বিষয় হলো, ছাত্ররা যখন বলেছে তারা অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে নেই এবং এর দায় নেবে না, তার পরেই পুলিশ অভিযান চালিয়েছে—এমন বক্তব্যও দিতে হবে। তাহলে যারা এসব করেছে, তারা কারা? তাদের সন্ত্রাসী বা জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

হাছান মাহমুদ: এই বক্তব্যটাই সামনে আনতে হবে।

শেখ হাসিনা: এই হত্যাকাণ্ডের দায় কার?

হাছান মাহমুদ: এই হত্যার দায় তাদের ওপরও বর্তায়—এটাই বলতে হবে।

শেখ হাসিনা: আন্দোলন করতে গিয়েই তো এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই এর দায় তাদেরও নিতে হবে।

হাছান মাহমুদ: হ্যাঁ, আন্দোলনের কারণে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল—এই যুক্তিটাও তুলে ধরা হবে।

শেখ হাসিনা: আমি তো আগেই সতর্ক করেছিলাম। আমার কাছে খবর ছিল। আমি বক্তৃতাতেও বলেছিলাম, আন্দোলনকারীদের অন্য কোনো পক্ষ যেন রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে না পারে।

হাছান মাহমুদ: আপনি আগেই এই কথা বলেছিলেন।

শেখ হাসিনা: আমার আগের বক্তব্যগুলোও তোমাদের প্রচারে ব্যবহার করা উচিত।

হাছান মাহমুদ: জি, সেগুলোও আমরা তুলে ধরব। আজকের ব্রিফিং ভালো হয়েছে। অনেক প্রশ্ন করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা: তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন আন্দোলন হয়েছিল, তখন তুমি কী করতে? আমেরিকার হাসের কাছে জানতে চাইতে? আমরা তো সেটা করিনি। এখন বিএনপি, জামায়াত ও শিবিরের কথাও বলতে হবে।

হাছান মাহমুদ: আমার নোটেও বিষয়টি আছে।

শেখ হাসিনা: বিএনপি-জামায়াতের সম্পৃক্ততার কথা বলবে।

হাছান মাহমুদ: আমরা এর সঙ্গে ‘রিলিজিয়াস অ্যাক্টিভিস্ট’ কথাটিও যুক্ত করছি।

শেখ হাসিনা: এরা তো তালেবানি কায়দায় কাজ করছে।

হাছান মাহমুদ: জি, সেই কারণেই শব্দটি ব্যবহার করছি।

শেখ হাসিনা: আর ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করা হয়নি—এমন কথাও বলতে হবে। বরং তারা নিজেরাই একে অন্যকে গুলি করেছে—এমন বক্তব্য দিতে হবে। ওবায়দুল কাদেরসহ যারা কথা বলবে, সবাইকে একই ধরনের প্রশ্ন ও বক্তব্য সামনে রাখতে হবে। আন্দোলনকারীদের ওপর হত্যার দায় চাপাতে হবে।

হাছান মাহমুদ: বুঝেছি। ধীরে ধীরে ওই বক্তব্যের দিকেই যেতে হবে।

শেখ হাসিনা: কারণ একটা বিষয় পরিষ্কার করতে হবে—আমি কি এত মানুষ হত্যা করেছি? তারা বলছে আমি খুনি।

হাছান মাহমুদ: আপনি যেভাবে বলেছেন, কাল থেকেই সেই বক্তব্য প্রচার করা হবে।

শেখ হাসিনা: তারা বলছে, আমি কোটা বাতিল করেছিলাম। পরে আদালত সেটি বাতিল করেছে। কিন্তু আমরাই তো সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলাম এবং আদালতের রায় এসেছে।

হাছান মাহমুদ: ঠিক। আমাদের আপিলের পরই তো আদালতের সিদ্ধান্ত এসেছে।

শেখ হাসিনা: তাহলে আমাকে খুনি বলা হচ্ছে কেন?

হাছান মাহমুদ: সেটাই আমরা তুলে ধরব।

শেখ হাসিনা: এটা ব্যাপকভাবে ছড়াতে হবে। বলতে হবে, আন্দোলনে যারা নেমেছিল, তারাই হত্যার জন্য দায়ী। আর তাদের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত মানুষ হত্যা ও সহিংসতা করেছে।

হাছান মাহমুদ: আন্দোলনের কারণে বিএনপি-জামায়াত সহিংসতা চালানোর সুযোগ পেয়েছে—এই বক্তব্যও তুলে ধরা হবে।

শেখ হাসিনা: তাদের আন্দোলনের সুযোগেই মানুষ মারা গেছে এবং বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত এসব ফোনালাপের ভিত্তিতে তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে আন্দোলন দমনে কী ধরনের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, তা তুলে ধরা হয়। মামলার যুক্তিতর্কের অংশ হিসেবে এসব কথোপকথনকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে উপস্থাপন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ