জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের অবয়বে স্থাপিত ভাস্কর্যসহ সব ধরনের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এসব ভাস্কর্য স্থাপনাকে ইসলামী শরিয়তের বিধানের ‘চরম লঙ্ঘন’ এবং আলেমদের আত্মত্যাগের সঙ্গে বৈপরীত্য ও উপহাস হিসেবে উল্লেখ করেছেন হেফাজতের শীর্ষ নেতারা। সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান অবিলম্বে জুলাই জাদুঘর থেকে এসব ভাস্কর্য […]
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের অবয়বে স্থাপিত ভাস্কর্যসহ সব ধরনের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এসব ভাস্কর্য স্থাপনাকে ইসলামী শরিয়তের বিধানের ‘চরম লঙ্ঘন’ এবং আলেমদের আত্মত্যাগের সঙ্গে বৈপরীত্য ও উপহাস হিসেবে উল্লেখ করেছেন হেফাজতের শীর্ষ নেতারা।
সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান অবিলম্বে জুলাই জাদুঘর থেকে এসব ভাস্কর্য উচ্ছেদ ও অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের দুই শীর্ষ নেতা তাদের অবস্থান তুলে ধরেন। বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসলামের স্পষ্ট বিধান ও শরিয়তের দৃষ্টিতে যেকোনো মানুষের ভাস্কর্য নির্মাণ সম্পূর্ণ হারাম ও অবৈধ।
তাদের বক্তব্য, কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা অবদান যত বড়ই হোক না কেন, শরিয়তের বিধান উপেক্ষা করে ভাস্কর্য নির্মাণ বা স্থাপনের সুযোগ নেই।
হেফাজত নেতারা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক আন্দোলন, এতে নিহত বীর শহীদ এবং আন্দোলনকারীদের আত্মত্যাগ জাতি অবশ্যই আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তবে তাদের মতে, সেই ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ কোনোভাবেই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও ইসলামী মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়া উচিত নয়।
বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা জুলাই জাদুঘরে স্থাপিত ভাস্কর্য নিয়ে নিজেদের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত এসব স্থাপনা অপসারণের আহ্বান জানান।