জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য বিমান ভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ‘৩৬ জুলাই’ স্মরণে সরকারি পর্যটনকেন্দ্রের হোটেল-মোটেলেও বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের আয়োজনে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এসব ঘোষণা দেন। মন্ত্রী জানান, জুলাই […]
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য বিমান ভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ‘৩৬ জুলাই’ স্মরণে সরকারি পর্যটনকেন্দ্রের হোটেল-মোটেলেও বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের আয়োজনে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এসব ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী জানান, জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা দেশের অভ্যন্তরীণ ও অন্যান্য নির্ধারিত বিমান ভ্রমণে ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড় পাবেন। একইসঙ্গে ‘৩৬ জুলাই’ স্মরণে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের অধীন হোটেল ও মোটেলগুলোতে তাদের জন্য ৩৬ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তি ও শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে ছাড় পাওয়ার ক্ষেত্রে কারা যোগ্য এবং কী ধরনের পরিচয়পত্র বা প্রমাণপত্র প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানানো হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি সাম্প্রতিক সময়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই যোদ্ধাদের তুলনা করার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান।
তিনি বলেন, দুই সময়ের আন্দোলন ও সংগ্রামের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আলাদা। তার ভাষায়, ১৯৭১ সালের যোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জনে লড়াই করেছেন, আর ২০২৪ সালের জুলাই যোদ্ধারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা জানানোর পাশাপাশি তাদের অবদান স্মরণ এবং শহীদ পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহযোগিতার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিমান ভাড়া ও পর্যটনসেবায় ঘোষিত ছাড়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিবার ও যোদ্ধারা সরাসরি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।