সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

খেলাধুলা
৬:৩১ পূর্বাহ্ন, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

নিউজিল্যান্ডের ১২ বছর পর ইংল্যান্ডকে ওয়ানডে সিরিজে হারানোর মহারণ

প্রায় ১২ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে নিউজিল্যান্ড ইংল্যান্ডকে ওয়ানডে সিরিজে হারিয়ে এক বিরাট অর্জন করেছে। ২০১৩ সালের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে ধারাবাহিক হারের কুড়ি কাটিয়ে আজকের ম্যাচে তারা জয়ী হয়েছে। হ্যামিলটনের মাঠে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ইংল্যান্ডকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল। এই জয়ে মূল ভূমিকা রেখেছেন দেরিতে […]

নিউজিল্যান্ডের ১২ বছর পর ইংল্যান্ডকে ওয়ানডে সিরিজে হারানোর মহারণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

প্রায় ১২ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে নিউজিল্যান্ড ইংল্যান্ডকে ওয়ানডে সিরিজে হারিয়ে এক বিরাট অর্জন করেছে। ২০১৩ সালের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে ধারাবাহিক হারের কুড়ি কাটিয়ে আজকের ম্যাচে তারা জয়ী হয়েছে। হ্যামিলটনের মাঠে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ইংল্যান্ডকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল।

এই জয়ে মূল ভূমিকা রেখেছেন দেরিতে দলে যুক্ত হওয়া পেসার ব্লেয়ার টিকনার। তিনি ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মধ্যেই ইংল্যান্ডের ইনিংস ভাঙিয়ে দেন। অপরদিকে ড্যারিল মিচেল ৫৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন, যা জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইংল্যান্ডকে মাত্র ৩৫ ওভারে ১৭৫ রানে অলআউট করার মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডের বোলিং আক্রমণ বলিষ্ঠ প্রমাণিত হয়।

ম্যাচের আগে দলে পরিবর্তন এনে কাইল জেমিসনের জায়গায় সুযোগ পেয়েছিলেন টিকনার। এছাড়া পেসার ম্যাট হেনরি চোটের কারণে বাইরে থাকায় টিকনারের সুযোগ আরও শক্তিশালী হয়। দীর্ঘ সময় পর আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনি নিজের ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার অর্জন করেন, যা দলের জয়ে বড় অবদান রাখে।

ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপে জো রুটকে মাত্র ২৫ রানে ফেরানো এবং টেল-এন্ডারদের দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার মাধ্যমে টিকনার ইংল্যান্ডের ইনিংসের ভিত্তি নষ্ট করেন। ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান আসে জেমি ওভারটনের ব্যাট থেকে, ৪২ রান। তবে দলের বড় স্কোর গঠনে ব্যর্থতা তাদের হারানোর মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং শুরুতে কিছুটা ধীরগতি দেখা গেলেও ক্যাপ্টেন মিচেল এবং কেইন উইলিয়ামসনের ব্যাটিং জুটি জয় নিশ্চিত করে। আর্চারের তীব্র বোলিংয়ে উইল ইয়ং শূন্য রানে আউট হলেও মিচেল ও স্যান্টনারের অবিচল ইনিংস দলের লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করে। অধিনায়ক স্যান্টনার ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন এবং ৩৪তম ওভারে মিচেল দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এই জয়ের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ড দীর্ঘদিনের হারের ধারা ভেঙে নতুন উদ্যমে সিরিজে এগিয়ে গেল। আগামী শনিবার ওয়েলিংটনে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে নিউজিল্যান্ড সিরিজ জয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে।

নিউজিল্যান্ডের এই জয় শুধু এক ম্যাচের জয় নয়, এটি মানসিকভাবে দলকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য আত্মবিশ্বাসের বড় উৎস। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারের দীর্ঘ সময় পর এই জয়ের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট প্রেমীরা নতুন আশা দেখতে পাচ্ছে। এছাড়া তরুণ খেলোয়াড় ব্লেয়ার টিকনারের সফলতা দলের বোলিং বিভাগে নতুন প্রতিযোগিতা ও সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। সিরিজের চূড়ান্ত ম্যাচে এই ধারা বজায় রাখা নিউজিল্যান্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের বিশ্ব ক্রিকেটে অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ