সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

NYC
৪:১০ অপরাহ্ন, ৪ আগস্ট ২০২৬

নিউইয়র্কে কার্যকর হলো ‘মেডিকেল এইড ইন ডাইং’ আইন, নতুন বিধান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে মরণব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ‘মেডিকেল এইড ইন ডাইং’ (Medical Aid in Dying) আইন কার্যকর হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) থেকে কার্যকর হওয়া এই আইনের আওতায় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে চিকিৎসকের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ স্বেচ্ছায় গ্রহণের মাধ্যমে জীবনের শেষ সময় সম্পর্কে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন যোগ্য রোগীরা। নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই সুবিধা […]

নিউইয়র্কে কার্যকর হলো ‘মেডিকেল এইড ইন ডাইং’ আইন, নতুন বিধান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে মরণব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ‘মেডিকেল এইড ইন ডাইং’ (Medical Aid in Dying) আইন কার্যকর হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) থেকে কার্যকর হওয়া এই আইনের আওতায় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে চিকিৎসকের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ স্বেচ্ছায় গ্রহণের মাধ্যমে জীবনের শেষ সময় সম্পর্কে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন যোগ্য রোগীরা।

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই সুবিধা কেবল সেই প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জন্য প্রযোজ্য, যাদের চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন যে তাদের সম্ভাব্য আয়ু ছয় মাস বা তার কম। পাশাপাশি রোগীকে মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হতে হবে এবং ওষুধ নিজেকেই গ্রহণ করতে হবে। অন্য কেউ ওষুধ প্রয়োগ করতে পারবেন না।

আইন অনুযায়ী, আবেদনকারীকে প্রথমে মৌখিকভাবে ইচ্ছা প্রকাশ করতে হবে। এরপর দুইজন সাক্ষীর স্বাক্ষরসহ লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে। একজন প্রধান চিকিৎসক ও একজন পরামর্শক চিকিৎসক রোগীর শারীরিক অবস্থা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা যাচাই করবেন। এছাড়া একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা মনোবিজ্ঞানীর মূল্যায়নও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রেসক্রিপশন ইস্যু করা হলেও ওষুধ সংগ্রহের আগে অন্তত পাঁচ দিনের অপেক্ষার বিধান রাখা হয়েছে।

আইনটির সমর্থকদের মতে, এটি মরণাপন্ন রোগীদের অসহনীয় যন্ত্রণা থেকে মুক্তি এবং জীবনের শেষ পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করবে। তবে বিরোধীদের দাবি, এমন আইন মানসিকভাবে দুর্বল বা অসহায় রোগীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং ভবিষ্যতে এর অপব্যবহারের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গভর্নর ক্যাথি হোকুল আইনে স্বাক্ষর করেন। সে সময় তিনি বলেন, এই আইন নিউইয়র্কবাসীর ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং জীবনের শেষ পর্যায়ে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিতর্ক ও আইন প্রণয়নের প্রচেষ্টার পর এটি কার্যকর হলো।

এর মাধ্যমে নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্রের সেই অঙ্গরাজ্যগুলোর তালিকায় যুক্ত হয়েছে, যেখানে কঠোর আইনি শর্তের অধীনে চিকিৎসকের সহায়তায় জীবনাবসানের সুযোগ (Medical Aid in Dying) অনুমোদিত রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ