যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের অভিযানের মধ্যে বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ এনামুল হককে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। কমিউনিটির একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইস) তাঁকে আটক করে। এনামুল হক দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি তিনি বাফেলোতে বসবাস শুরু করেন। বাংলাদেশি কমিউনিটিতে পরিচিত মুখ […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের অভিযানের মধ্যে বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ এনামুল হককে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। কমিউনিটির একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইস) তাঁকে আটক করে।
এনামুল হক দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি তিনি বাফেলোতে বসবাস শুরু করেন। বাংলাদেশি কমিউনিটিতে পরিচিত মুখ হওয়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।
তবে তাঁকে আটকের কারণ, বর্তমান অবস্থান, অভিবাসন-সংক্রান্ত মামলার অবস্থা কিংবা কোনো আটককেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এনামুল হককে আটকের খবর এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় আইসের অভিযান ও অভিবাসীদের আটকের ঘটনা বাড়ছে।
ওয়েস্টার্ন নিউইয়র্কের সংবাদমাধ্যম বাফেলো টরন্টো পাবলিক মিডিয়া (বিটিপিএম) এবং ডব্লিউএক্সএক্সআই নিউজের ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে আপস্টেট নিউইয়র্কে আইসের হাতে আটক মানুষের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়ে যায়। সরকারি তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই সময় পর্যন্ত পুরো নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে আইসের আটক প্রায় ১ হাজার ৫০০-তে পৌঁছেছিল।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আপস্টেট নিউইয়র্কে আটক হওয়া প্রতি পাঁচজনের মধ্যে প্রায় চারজনের কোনো অপরাধমূলক অতীত ছিল না বলে বিশ্লেষণে দেখা গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ওই তথ্য ও বিশ্লেষণের নির্ভুলতা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।
অন্যদিকে, আইসের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রিজন পলিসি ইনিশিয়েটিভের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে ওই বছরের ২০ জানুয়ারির পর থেকে আইসের মোট ৭ হাজার ৬৫৭টি আটক-সংক্রান্ত নথি ছিল।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসের অভিযান শুধু কারাগার বা আদালতকেন্দ্রিক নয়; কর্মস্থল, সড়ক এবং কমিউনিটির অন্যান্য স্থানেও আটকের ঘটনা ঘটছে। এতে বৈধ অভিবাসনপ্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা ব্যক্তিসহ বিভিন্ন অভিবাসন পরিস্থিতিতে থাকা মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।