যুক্তরাষ্ট্রে গুরুতর অপরাধ ও অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে ৪০ জনের নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে এক দফায় এত বেশি মানুষের নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করার ঘটনা এটিই সবচেয়ে বড় বলে জানিয়েছে বিচার বিভাগ। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ৫ অক্টোবর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২১ আগস্ট থেকে […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে গুরুতর অপরাধ ও অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে ৪০ জনের নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে এক দফায় এত বেশি মানুষের নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করার ঘটনা এটিই সবচেয়ে বড় বলে জানিয়েছে বিচার বিভাগ।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ৫ অক্টোবর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২১ আগস্ট থেকে ২ অক্টোবরের মধ্যে ৪০ জনের বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করা হয়েছে। এসব আবেদনে বিদেশি সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করা, স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ড এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এক ব্যক্তির ওপর গুরুতর যৌন নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও জাতীয়তা আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নাগরিকত্ব অর্জন করলে কিংবা আইনবহির্ভূতভাবে নাগরিকত্ব পেলে তাঁর নাগরিকত্ব বাতিল করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাগরিকত্বের সনদও বাতিল হতে পারে।
বিচার বিভাগের সিভিল ডিভিশনের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদনের আওতায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের গুরুতর অপরাধ ও নাগরিকত্ব অর্জনের সময় তথ্য গোপনের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
বিচার বিভাগ আরও জানিয়েছে, ৪০ জনের বিরুদ্ধে করা আবেদনগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ফেডারেল আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টসহ দেশটির একাধিক অঙ্গরাজ্য ও বিচারিক অঞ্চলের আদালত রয়েছে।
উল্লেখ্য, নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করা মানেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাওয়া নয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও ইউএসসিআইএস