আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জারি করা সরকারি প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়ে করা রিট এবার হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠেছে। প্রজ্ঞাপনটির কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে করা এই রিট সোমবারের কার্যতালিকায় স্থান পেয়েছে। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রিটটি শুনানির জন্য […]
ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জারি করা সরকারি প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়ে করা রিট এবার হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠেছে। প্রজ্ঞাপনটির কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে করা এই রিট সোমবারের কার্যতালিকায় স্থান পেয়েছে।
বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রিটটি শুনানির জন্য ৬০ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।
২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি দলটির সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রমের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রকাশনা, গণমাধ্যমে প্রচারণা এবং অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ অন্যান্য কার্যক্রমও নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
এই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মো. আল আমিন নামে এক ব্যক্তি হাইকোর্টে রিটটি করেন। রিট আবেদনে তার ঠিকানা মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে ২০২৫ সালের ১২ মে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে রুল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ওই প্রজ্ঞাপনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্যও আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
রিটটি কার্যতালিকায় আসায় এখন এর শুনানি ও আদালতের পরবর্তী আদেশের দিকে নজর রয়েছে। তবে কার্যতালিকায় থাকা মানেই প্রজ্ঞাপন স্থগিত হয়ে গেছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।