আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ বিচারাধীন মামলায় ফারজানা রুপার পক্ষে আইনি লড়াই করতে যুক্তরাজ্যের দুই আইনজীবীকে অনুমতি দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে। লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারসের আইনজীবী জোনাথন প্রাইস কেসি ও নিকিলা কৌশিককে ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার সুযোগ দিতে এ আবেদন করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও ফারজানা রুপার নিয়োজিত কৌঁসুলি ব্যারিস্টার […]
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ বিচারাধীন মামলায় ফারজানা রুপার পক্ষে আইনি লড়াই করতে যুক্তরাজ্যের দুই আইনজীবীকে অনুমতি দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে। লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারসের আইনজীবী জোনাথন প্রাইস কেসি ও নিকিলা কৌশিককে ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার সুযোগ দিতে এ আবেদন করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও ফারজানা রুপার নিয়োজিত কৌঁসুলি ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক বার কাউন্সিলের সচিবের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র জমা দেন।
আবেদনে বলা হয়, ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারসের ওই দুই আইনজীবী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফারজানা রুপার পক্ষে আইনি লড়াইয়ের অনুমতি চেয়ে গত ১ অক্টোবর ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আবেদন পাঠিয়েছেন।
আবেদনে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ১১(৮) ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এ যা-ই থাকুক না কেন, বার কাউন্সিলের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে ট্রাইব্যুনাল বিদেশি আইনজীবীদের শুনানিতে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিতে পারেন।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সুনির্দিষ্ট কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া এ অনুমতি আটকে রাখার সুযোগ নেই। ফলে ট্রাইব্যুনালে বিদেশি আইনজীবীদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে বার কাউন্সিলের অনুমতি একটি আবশ্যিক পূর্বশর্ত।
আবেদনে জানানো হয়েছে, আইসিটি-বিডি মামলা নম্বর ০৫/২০২৬-এর আওতায় বর্তমানে কারাবন্দী রয়েছেন ফারজানা রুপা। আগামী ১ নভেম্বর মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলায় এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে দুই ব্রিটিশ আইনজীবীকে অনুমতি দেওয়ার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বার কাউন্সিলের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বার কাউন্সিলে জমা দেওয়া আবেদনের সঙ্গে ফারজানা রুপার স্বাক্ষরযুক্ত ওকালতনামা, দুই বিদেশি আইনজীবীর জীবনবৃত্তান্ত এবং তাঁদের পাঠানো ই-মেইল ও মূল আবেদনের অনুলিপি সংযুক্ত করা হয়েছে।