সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

Uncategorized
৫:২১ এএম, ৪ নভেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক সালিশে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও আদানি গ্রুপ

বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ ও ব্যয় হিসাব নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধ মেটাতে বাংলাদেশ ও ভারতের আদানি পাওয়ার আন্তর্জাতিক সালিশ প্রক্রিয়ায় যেতে সম্মত হয়েছে। সম্প্রতি আদানি পাওয়ারের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে একথা জানান।তিনি বলেন, কিছু ব্যয় ও বিলিং নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। উভয় পক্ষ সালিশ আহ্বানে সম্মত হয়েছে। আমরা দ্রুত ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক সমাধানে আশাবাদী।গত সপ্তাহে আদানি পাওয়ার জানায়, […]

আন্তর্জাতিক সালিশে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও আদানি গ্রুপ
ডেস্ক রিপোর্ট
১ মিনিটে পড়ুন |

বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ ও ব্যয় হিসাব নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধ মেটাতে বাংলাদেশ ও ভারতের আদানি পাওয়ার আন্তর্জাতিক সালিশ প্রক্রিয়ায় যেতে সম্মত হয়েছে। সম্প্রতি আদানি পাওয়ারের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে একথা জানান।
তিনি বলেন, কিছু ব্যয় ও বিলিং নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। উভয় পক্ষ সালিশ আহ্বানে সম্মত হয়েছে। আমরা দ্রুত ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক সমাধানে আশাবাদী।
গত সপ্তাহে আদানি পাওয়ার জানায়, বাংলাদেশের কাছে তাদের বকেয়া বিল এখন ১৫ দিনের সমপরিমাণে নেমে এসেছে, যেখানে মে মাসে তা ছিল প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার।
কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, তারা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং বাংলাদেশকে নিরবচ্ছিন্ন ও প্রতিযোগিতামূলক দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখবে।
তবে, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান রয়টার্স-কে বলেন, আলোচনা প্রক্রিয়া এখনো চলছে, প্রয়োজনে সালিশে যাওয়া হবে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্তর্র্বতী সরকার অভিযোগ করেছিল যে, ভারত সরকারের কর সুবিধা গড্ডা প্লান্ট বিদ্যুৎ মূল্যে প্রতিফলিত করেনি, যা চুক্তি লঙ্ঘনের শামিল।
ভারতের ধনকুবের গৌতম আদানির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালের চুক্তি অনুযায়ী পূর্ব ভারতের গড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র (ক্ষমতা ১,৬০০ মেগাওয়াট) থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ আদানির কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ১৪.৮৭ টাকায় বিদ্যুৎ কিনেছে, যা ভারতের অন্যান্য কোম্পানির গড় দামের (৯.৫৭ টাকা) তুলনায় অনেক বেশি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ