ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের অংশগ্রহণ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে।” সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, খামেনির জানাজায় বিপুল মানুষের উপস্থিতি তার প্রত্যাশার সঙ্গে মেলেনি। তিনি এমনও মন্তব্য করেন যে, তিনি চাইলে সেখানে উপস্থিত সবাইকে […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের অংশগ্রহণ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে।”
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, খামেনির জানাজায় বিপুল মানুষের উপস্থিতি তার প্রত্যাশার সঙ্গে মেলেনি। তিনি এমনও মন্তব্য করেন যে, তিনি চাইলে সেখানে উপস্থিত সবাইকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারতেন, তবে তা করলে “আলোচনা করার মতো আর কেউ থাকবে না।”
ট্রাম্প আরও জানান, খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পারস্পরিক আলোচনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তার ভাষায়, “শেষ বিদায়ের সময় কোনো পক্ষই অন্য পক্ষের ওপর হামলা করবে না।”
এদিকে ইরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়কে কেন্দ্র করে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে। রাষ্ট্রীয় আয়োজনে কয়েক দিনের শোক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে এবং এতে দেশ-বিদেশের প্রতিনিধি ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নিচ্ছেন। যদিও বিশ্লেষকদের মতে, ইরানি সমাজে খামেনিকে ঘিরে সমর্থন ও সমালোচনা—দুই ধরনের অবস্থানই বিদ্যমান।
ট্রাম্পের মন্তব্য প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এমন মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক এবং চলমান কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।