Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৫:৩০ পিএম, ১৬ জুলাই ২০২৬

ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের ভাবনা ট্রাম্পের নতুন নয়, বহু আগেই ছিল আগ্রহ

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে দেশটির প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্য করে পদক্ষেপ নেওয়ার বিকল্প বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই কৌশলগত আগ্রহ নতুন নয়; তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার বহু বছর আগেও খার্গ দ্বীপ দখলের ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। পারস্য উপসাগরে ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ২৫ […]

ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের ভাবনা ট্রাম্পের নতুন নয়, বহু আগেই ছিল আগ্রহ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে দেশটির প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্য করে পদক্ষেপ নেওয়ার বিকল্প বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই কৌশলগত আগ্রহ নতুন নয়; তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার বহু বছর আগেও খার্গ দ্বীপ দখলের ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।

পারস্য উপসাগরে ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছোট এই দ্বীপটি দেশটির তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। আয়তনে এটি নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হলেও অর্থনৈতিক গুরুত্বের দিক থেকে ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর একটি।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল সরবরাহ ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। দ্বীপটির গভীর পানির জেটিগুলোতে বড় আকারের সুপারট্যাঙ্কার ভিড়তে পারে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ফলে এটি দেশটির অর্থনীতির অন্যতম প্রধান অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত।

১৯৮৪ সালে প্রকাশিত সিআইএর একটি নথিতে খার্গ দ্বীপকে ইরানের তেল শিল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে ১৯৮৮ সালেও ট্রাম্প এই দ্বীপের কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে খার্গ দ্বীপকে ঘিরে বিভিন্ন সামরিক বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। হোয়াইট হাউসের একাংশের কর্মকর্তাদের মতে, দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া গেলে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অর্থনৈতিক সক্ষমতায় বড় ধরনের আঘাত হানা সম্ভব হবে এবং এতে সংঘাতের গতি পরিবর্তন হতে পারে।

তবে প্রশাসনের আরেকটি অংশ এই পরিকল্পনা নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, খার্গ দ্বীপ দখলের মতো অভিযানে বিপুলসংখ্যক স্থলসেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হতে পারে, যা সংঘাতকে আরও দীর্ঘ ও জটিল করে তুলতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, খার্গ দ্বীপের কৌশলগত গুরুত্ব শুধু ইরানের জন্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এ ধরনের যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ