ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি নামাজকে দেশের শক্তি, আশা ও শান্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বৃহস্পতিবার ধর্মীয় ইবাদতবিষয়ক এক সম্মেলনে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। মুজতবা খামেনি বলেন, নামাজ ইসলামি সমাজের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে এটি আল্লাহর সঙ্গে মানুষের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের প্রধান মাধ্যম। নামাজ মানুষের আত্মসংযম বাড়ানোর পাশাপাশি […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি নামাজকে দেশের শক্তি, আশা ও শান্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বৃহস্পতিবার ধর্মীয় ইবাদতবিষয়ক এক সম্মেলনে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
মুজতবা খামেনি বলেন, নামাজ ইসলামি সমাজের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে এটি আল্লাহর সঙ্গে মানুষের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের প্রধান মাধ্যম। নামাজ মানুষের আত্মসংযম বাড়ানোর পাশাপাশি ‘শয়তানের’ বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবিচল শক্তি ও সহায়তা জোগায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, নামাজ শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; একটি সৎ ও আদর্শ ইসলামি শাসনব্যবস্থারও অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বর্তমান সময়ে ইরানি জনগণ নানা সংগ্রাম ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আল্লাহর স্মরণ, আশা এবং তাঁর ওপর আস্থার মাধ্যমে এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, ‘নামাজ কায়েম করো’—আল্লাহর এই নির্দেশ বারবার উচ্চারিত হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানি জনগণের জন্য এই নির্দেশ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সমাজে নামাজের চর্চা আরও বিস্তৃত ও প্রাতিষ্ঠানিক করার আহ্বানও জানান মুজতবা খামেনি। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে নামাজের চর্চা বাড়াতে এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
সূত্র: প্রেস টিভি