ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় ‘খাইবার শেকান’ নামের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যার সঙ্গে ক্লাস্টার বোমা যুক্ত ছিল। হামলার লক্ষ্য ছিল মূলত তেল আবিবসহ ইসরাইলের মধ্যাঞ্চল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে আকাশে বিস্ফোরণের পর বিস্তীর্ণ এলাকায় ছোট ছোট […]
ছবি: সংগৃহীত
ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় ‘খাইবার শেকান’ নামের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যার সঙ্গে ক্লাস্টার বোমা যুক্ত ছিল।
হামলার লক্ষ্য ছিল মূলত তেল আবিবসহ ইসরাইলের মধ্যাঞ্চল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে আকাশে বিস্ফোরণের পর বিস্তীর্ণ এলাকায় ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
‘খাইবার শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরানের উন্নত অস্ত্রভাণ্ডারের একটি অংশ, যার অর্থ ‘দুর্গ ধ্বংসকারী’। ২০২২ সাল থেকে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানা যায়। ক্ষেপণাস্ত্রটির অগ্রভাগ নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি পৌঁছালে এটি খুলে গিয়ে প্রায় ২০টি ছোট বোমা ছড়িয়ে দেয়। প্রতিটি বোমায় প্রায় আড়াই কেজি বিস্ফোরক থাকে, যা বড় এলাকায় ক্ষতি করার সক্ষমতা রাখে।
আন্তর্জাতিক আইনে ক্লাস্টার বোমার ব্যবহার ব্যাপকভাবে সমালোচিত এবং অনেক দেশ এ ধরনের অস্ত্র নিষিদ্ধ করেছে। তবে ইসরাইল ও ইরান—কোনো দেশই সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
সূত্র: আল জাজিরা।