যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনকে (৭২) গ্রেপ্তার করেছে লন্ডন পুলিশ। যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনকালে অসদাচরণ এবং রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের সন্দেহে তার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ম্যান্ডেলসনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর তাকে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে বরখাস্ত করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। ওই ঘটনার ধারাবাহিকতায় চলতি […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনকে (৭২) গ্রেপ্তার করেছে লন্ডন পুলিশ। যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনকালে অসদাচরণ এবং রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের সন্দেহে তার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ম্যান্ডেলসনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর তাকে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে বরখাস্ত করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। ওই ঘটনার ধারাবাহিকতায় চলতি মাসের শুরুতে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে পুলিশ, যা শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তারে গিয়ে পৌঁছায়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত একটি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ম্যান্ডেলসন মন্ত্রী থাকাকালে রাষ্ট্রীয়ভাবে সংবেদনশীল কিছু তথ্য এপস্টেইনের কাছে পাচার করেছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে তার যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্য পুলিশকে সরবরাহ করা হয়।
লন্ডন পুলিশ সোমবার এক বিবৃতিতে জানায়, সরকারি দপ্তরে দায়িত্ব পালনের সময় অসদাচরণের অভিযোগে ৭২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আরেক বিবৃতিতে জানানো হয়, তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হলেও তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।
রয়টার্স জানায়, সোমবার সকালে স্থানীয় সময় সেন্ট্রাল লন্ডনে নিজের বাসা থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা ম্যান্ডেলসনকে আটক করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এ সময় পুলিশের শরীরে ক্যামেরা সংযুক্ত ছিল, যার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার মানেই দোষী সাব্যস্ত হওয়া নয়, তবে এতে বোঝা যায় পুলিশ একটি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ পাচ্ছে।
এ বিষয়ে পিটার ম্যান্ডেলসনের আইনজীবীরা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
সূত্র: রয়টার্স