যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানকে অপসারণ করেছে সদস্য রাষ্ট্রগুলো। শুক্রবারের ভোটে ১২৫ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ৮২টি তাঁর অপসারণের পক্ষে অবস্থান নেয় বলে রয়টার্স জানিয়েছে। রয়টার্সের তথ্যমতে, অভিযোগ ওঠার পর থেকে করিম খান সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরে ছিলেন এবং তিনি শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। সর্বশেষ ভোটের সময়ও […]
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানকে অপসারণ করেছে সদস্য রাষ্ট্রগুলো। শুক্রবারের ভোটে ১২৫ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ৮২টি তাঁর অপসারণের পক্ষে অবস্থান নেয় বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
রয়টার্সের তথ্যমতে, অভিযোগ ওঠার পর থেকে করিম খান সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরে ছিলেন এবং তিনি শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। সর্বশেষ ভোটের সময়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কার্যক্রমে এই সিদ্ধান্তকে নজিরবিহীন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৪ সালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়ার পর থেকেই করিম খান আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে ছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র তাঁর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাও দেয়।
রয়টার্স আরও জানিয়েছে, ভোটাভুটিতে ১৫টি দেশ বিরত থাকে এবং করিম খানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও শৃঙ্খলাবিষয়ক প্রক্রিয়াও চলছিল। অভিযোগের ধরন ছিল এক জুনিয়র আইসিসি আইনজীবীর সঙ্গে অনুপযুক্ত সম্পর্কের অভিযোগ।
করিম খানের অপসারণের পর আদালত এখন নতুন প্রধান প্রসিকিউটর নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাবে। তবে তাঁর জারি করা আগের পরোয়ানা ও চলমান তদন্তগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হচ্ছে না বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ভাবমূর্তি ও স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সঙ্গে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও গাজা যুদ্ধসংক্রান্ত বিচারপ্রক্রিয়া ঘিরে আদালতের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সূত্র: রয়টার্স