গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া পদ্মাসেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানান, পদ্মাসেতুর সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে নদীতে লাফ দিতে দেখা গেছে। পরিবারের সদস্য ও মামলার বাদী ভিডিও দেখে ধারণা […]
ছবি: সংগৃহীত
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া পদ্মাসেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানান, পদ্মাসেতুর সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে নদীতে লাফ দিতে দেখা গেছে। পরিবারের সদস্য ও মামলার বাদী ভিডিও দেখে ধারণা করছেন, ওই ব্যক্তি ফোরকান মিয়াই।
পুলিশ জানায়, ফোরকানকে গ্রেপ্তারে একাধিক দল অভিযান চালায়। তদন্তের এক পর্যায়ে মেহেরপুরে এক বাস হেলপারের কাছ থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তি জানান, তিনি মোবাইলটি পদ্মাসেতু এলাকায় পেয়েছেন।
পরে সেতুর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একটি প্রাইভেটকার থেকে এক ব্যক্তি নেমে হাতের ব্যাগ ও মোবাইল রেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর নদীতে ঝাঁপ দেন।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ভিডিওটি নিহত শারমিনের বাবা এবং ফোরকানের ভাইসহ কয়েকজন স্বজনকে দেখানো হয়েছে। তারা পুরোপুরি নিশ্চিত না হলেও ধারণা করছেন, ফুটেজের ব্যক্তি ফোরকান।
পুলিশ আরও জানায়, ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি ঢাকার পল্টনের একটি রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠান থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। চালককে ফোরকান জানিয়েছিলেন, এক আত্মীয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি যাচ্ছেন।
উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটি ফোরকানের বলেও নিশ্চিত করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ৮ মে রাতে কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে ভাড়া বাসায় নিহত হন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম, মারিয়া ও ফারিয়া এবং শ্যালক রসুল মিয়া।
ঘটনার পরদিন ফোরকান তার ভাইয়ের স্ত্রীকে ফোন করে পাঁচজনকে হত্যার কথা জানান বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কাপাসিয়া থানার ওসি শাহীনুর আলম বলেন, ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার হলে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এ বিষয়ে কাজ করছেন।