বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের বিস্তার এখন চোখে পড়ার মতো। প্রায় সব বড় ক্রিকেট খেলুড়ে দেশেই চালু হয়েছে নিজস্ব টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি আসর। এই বাস্তবতায় বিভিন্ন দেশের শীর্ষ লিগগুলোর চ্যাম্পিয়ন দলগুলোকে নিয়ে ভবিষ্যতে ক্রিকেট ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনা দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট এসএ২০-এর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন […]
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের বিস্তার এখন চোখে পড়ার মতো। প্রায় সব বড় ক্রিকেট খেলুড়ে দেশেই চালু হয়েছে নিজস্ব টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি আসর। এই বাস্তবতায় বিভিন্ন দেশের শীর্ষ লিগগুলোর চ্যাম্পিয়ন দলগুলোকে নিয়ে ভবিষ্যতে ক্রিকেট ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনা দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ।
বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট এসএ২০-এর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্মিথ। খেলোয়াড়ি জীবনেও তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে সক্রিয় ছিলেন। সম্প্রতি ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট Olympics.com-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের দ্রুত প্রসার, এর প্রভাব এবং ২০২৮ অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।
সেখানে স্মিথ বলেন, ক্রিকেটে এখন এমন এক কাঠামো তৈরি হয়েছে, যেখানে ফুটবলের আদলে ক্লাব বিশ্বকাপ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা অসম্ভব নয়। তার মতে, আইপিএল, এসএ২০, বিগ ব্যাশসহ বিশ্বের বড় বড় লিগের শিরোপাজয়ী দলগুলো যদি এক মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তাহলে তা দর্শকদের জন্য অসাধারণ আকর্ষণ তৈরি করবে।
স্মিথের বিশ্বাস, এমন প্রতিযোগিতা শুধু বিনোদনই বাড়াবে না, বরং বৈশ্বিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় করে তুলবে। তিনি মনে করেন, বেশিরভাগ ফ্র্যাঞ্চাইজি এখন ব্যক্তিমালিকানাধীন হওয়ায় এই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার একটি শক্ত ভিত্তি ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে। যদিও এটি বাস্তবায়নে সূচি, সম্প্রচার, খেলোয়াড় প্রাপ্যতা ও বোর্ড সমন্বয়সহ নানা বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে।
অন্যদিকে, ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেটের ফেরার বিষয়টিকেও দারুণ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্মিথ। আগামী অলিম্পিকে ১২ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত ফেয়ারপ্লেক্স ভেন্যুতে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পুরুষ ও নারী—উভয় বিভাগে ছয়টি করে দল অংশ নেবে।
স্মিথের মতে, অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জয়ের সুযোগ নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য একেবারেই নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। তার ভাষায়, এই মঞ্চ তরুণদের স্বপ্নকে আরও বড় করবে এবং ক্রিকেটে নতুন মাত্রা যোগ করবে।