সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
২:২৬ পিএম, ৫ জুন ২০২৬

খামেনির ওপর হামলার সময় একই ভবনে ছিলেন আরাঘচি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর প্রাণঘাতী হামলার সময় একই ভবনে অবস্থান করছিলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভয়াবহ সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বৈরুতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিন মিডিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ঘাসান বিন জেদ্দুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, হামলার সময় তিনি খামেনির অফিস ভবনের ভেতরেই ছিলেন এবং ঘটনাটি […]

খামেনির ওপর হামলার সময় একই ভবনে ছিলেন আরাঘচি

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর প্রাণঘাতী হামলার সময় একই ভবনে অবস্থান করছিলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভয়াবহ সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বৈরুতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিন মিডিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ঘাসান বিন জেদ্দুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, হামলার সময় তিনি খামেনির অফিস ভবনের ভেতরেই ছিলেন এবং ঘটনাটি তার জীবনের অন্যতম কঠিন মুহূর্ত।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জেনেভায় একটি কূটনৈতিক বৈঠক শেষে তিনি সেদিন সকালে তেহরানে ফিরে সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ে যান। সেখানে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং কূটনৈতিক আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক চলছিল।

আরাঘচির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈঠক চলাকালীন পুরো অফিস কমপ্লেক্স ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়। হামলায় ভবনের একটি বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও তিনি যে অংশে অবস্থান করছিলেন সেটি অক্ষত থাকে।

তিনি বলেন, “হামলার মুহূর্তে আমি ওই ভবনের ভেতরেই ছিলাম। ধ্বংসস্তূপ থেকে বের হওয়ার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল নেতার অবস্থা সম্পর্কে জানা।”

আরাঘচি জানান, সামরিক উত্তেজনা ও হামলার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও খামেনি নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন এবং নিরাপদ বাঙ্কারে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তাকে বারবার নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি বলেছিলেন, দেশের সাধারণ মানুষ নিরাপদ না হলে তিনিও বাঙ্কারে যাবেন না।”

তিনি আরও বলেন, এই অবস্থান খামেনির নেতৃত্বের ধরনকে তুলে ধরে, যেখানে তিনি নিজেকে সাধারণ মানুষের ভাগ্য থেকে আলাদা মনে করতেন না।

সাক্ষাৎকারে আরাঘচি আঞ্চলিক কূটনীতি, উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের কৌশল নিয়েও কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, তেহরানের বর্তমান নীতি যুদ্ধ বিস্তার নয়, বরং কৌশলগত প্রতিরোধের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্র: আল মায়াদিন

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ