সাবেক জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক ও উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এর কার্যপরিষদের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেট গভর্নিং বডি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর পরিচালক পদে নির্বাচিত হওয়া উল্লেখযোগ্য। রোববার (১৯ অক্টোবর) কোয়াবের […]
সাবেক জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক ও উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এর কার্যপরিষদের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেট গভর্নিং বডি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর পরিচালক পদে নির্বাচিত হওয়া উল্লেখযোগ্য।
রোববার (১৯ অক্টোবর) কোয়াবের সভাপতির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রেরণ করে খালেদ মাসুদ তার পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করেন। চিঠিতে তিনি বলেছেন, কোয়াবের নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য গর্বের বিষয় ছিলো। তবে বিসিবির পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্বচ্ছতা এবং অখণ্ডতা বজায় রাখতে পদত্যাগ করা দরকার মনে করছেন তিনি।
তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, “উভয় সংস্থার স্বচ্ছতা ও অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য আমি কোয়াবের নির্বাহী সদস্য পদ থেকে অবিলম্বে পদত্যাগ করছি।”
খালেদ মাসুদের এই পদত্যাগ আসছে এমন এক সময় যখন তিনি কোয়াবের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন, যেখানে তার সঙ্গে ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজসহ অন্যান্য ক্রিকেটার। এরপর গত ৬ অক্টোবর বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে ‘সি’ ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত হন তিনি।
ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) দেশের ক্রিকেটারদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে। সেখানে খালেদ মাসুদের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের থাকা সংগঠনের কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে বিসিবির পরিচালকদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় দ্বৈত দায়িত্ব পালন কঠিন হতে পারে এবং স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই পদত্যাগের মাধ্যমে তিনি এই দ্বন্দ্ব থেকে নিজেকে মুক্ত করেছেন, যা শ্রুতিমধুর সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
বিসিবি পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের ফলে খালেদ মাসুদ দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে আরও বৃহত্তর ভূমিকা পালন করতে পারবেন। তার অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি বোর্ডের নীতি নির্ধারণ ও ক্রিকেট পরিচালনায় নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। এতে দেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক উন্নয়ন হবে এবং খেলোয়াড়দের কল্যাণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে খালেদ মাসুদের এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। একজন সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে তিনি বোর্ডের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় খেলোয়াড়দের সুবিধা-অসুবিধা বোঝার ক্ষেত্রে বাস্তব অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে। ফলে খেলোয়াড়দের কল্যাণমূলক নীতিমালা বাস্তবায়নে নতুন গতি আসবে।
সার্বিকভাবে, কোয়াব থেকে পদত্যাগের মাধ্যমে নিজের নতুন দায়িত্বে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করার সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়দের ও সমর্থকদের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে।