সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

অন্যান্য
৫:৪৪ পিএম, ৮ জুন ২০২৬

গভীর রাতে নিখোঁজ, তেঁতুল গাছের মগডালে মিলল গৃহবধূ

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় সাজেদা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে আবারও একটি তেঁতুল গাছের মগডাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই ধরনের ঘটনায় এর আগে একাধিকবার তাকে উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। সর্বশেষ প্রায় এক মাস আগে একই গাছ থেকে তাকে নামিয়ে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলার […]

গভীর রাতে নিখোঁজ, তেঁতুল গাছের মগডালে মিলল গৃহবধূ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় সাজেদা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে আবারও একটি তেঁতুল গাছের মগডাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই ধরনের ঘটনায় এর আগে একাধিকবার তাকে উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। সর্বশেষ প্রায় এক মাস আগে একই গাছ থেকে তাকে নামিয়ে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই আনন্দবাজার এলাকার একটি তেঁতুল গাছ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। সাজেদা বেগম ওই এলাকার আবু সাঈদের স্ত্রী। তিনি তিন সন্তানের জননী।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোররাত থেকেই সাজেদা বেগমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে থাকা একটি তেঁতুল গাছের মগডালে তাকে বসে থাকতে দেখতে পান স্থানীয়রা।

এর আগে গত ৬ মে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর একই তেঁতুল গাছের মগডাল থেকে সাজেদা বেগমকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন।

সোমবার সকালে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে গাছ থেকে নামানোর চেষ্টা করা হলে সাজেদা নিজেই মগডাল থেকে নিচের ডালগুলোতে নেমে আসেন। পরে হঠাৎ পাশের পুকুরে লাফ দেন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।

সাজেদা বেগমের ছেলে জেলানি মিয়া জানান, ভোর রাতে তার মা নিখোঁজ হন। পরিবারের সবাই অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। পরে স্থানীয়রা তাকে গাছের মগডালে দেখতে পান।

তিনি বলেন, “এলাকাবাসী মাকে নিচে নামানোর চেষ্টা করলে তিনি নিজেই নিচে নেমে এসে পুকুরে লাফ দেন। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে আসি। এর আগেও এ ধরনের ঘটনা কয়েকবার ঘটেছে।”

দুর্গাপুর ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য রায়হান কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভোর রাতে নিখোঁজ হওয়ার পর সকালে স্থানীয়রা তাকে তেঁতুল গাছের মগডালে দেখতে পান। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাকে নিরাপদে নিচে নামানো হয়।

তিনি আরও বলেন, এর আগেও একই ধরনের ঘটনা চারবার ঘটেছে। কেন তিনি বারবার এমন করছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। বারবার একইভাবে নিখোঁজ হয়ে একই গাছের মগডালে গিয়ে বসার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় কৌতূহল ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ