গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও এই অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। শুক্রবার সংগঠনটির মুখপাত্র হাজেম কাসেম বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ কথা জানান। এর আগে বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিষদের উদ্বোধনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের […]
ছবি: সংগৃহীত
গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও এই অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। শুক্রবার সংগঠনটির মুখপাত্র হাজেম কাসেম বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ কথা জানান।
এর আগে বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিষদের উদ্বোধনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের লক্ষ্যে পাঁচটি দেশ সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয়।
বৈঠকে আইএসএফের কমান্ডার মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স জানান, ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো ও আলবেনিয়া এ বাহিনীতে সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে। অন্যদিকে, মিশর ও জর্ডান সরাসরি সেনা না পাঠিয়ে ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, আন্তর্জাতিক বাহিনী সম্পর্কে তাদের অবস্থান সুস্পষ্ট। তারা এমন একটি শান্তিরক্ষী বাহিনী চান, যারা যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করবে, এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে এবং দখলদার বাহিনী ও গাজার জনগণের মধ্যে একটি বাফার হিসেবে কাজ করবে। তবে গাজার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ তারা গ্রহণ করবেন না বলে স্পষ্ট করেন তিনি।
আইএসএফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বাহিনীতে প্রায় ২০ হাজার সেনা এবং একটি নতুন পুলিশ ইউনিট রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ইন্দোনেশিয়া জানিয়েছে, তারা প্রাথমিকভাবে আট শত পর্যন্ত সেনা পাঠাতে প্রস্তুত।
সূত্র: আল আরাবিয়া