সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:৩৪ পিএম, ৭ এপ্রিল ২০২৬

ট্রাম্পের হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ’ বিচ্ছিন্ন করলো ইরান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। সেখানে বলা হয়, ট্রাম্পের হুমকিকে তেহরান স্পষ্ট বার্তা হিসেবে নিয়েছে যে, সামরিক চাপের মুখে তারা আর সরাসরি আলোচনায় যেতে চাইছে না। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটামের […]

ট্রাম্পের হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ’ বিচ্ছিন্ন করলো ইরান

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। সেখানে বলা হয়, ট্রাম্পের হুমকিকে তেহরান স্পষ্ট বার্তা হিসেবে নিয়েছে যে, সামরিক চাপের মুখে তারা আর সরাসরি আলোচনায় যেতে চাইছে না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটামের সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই এই সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। তবে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা পুরোপুরি থেমে যায়নি। যুদ্ধবিরতি বা উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাব্য পথ হিসেবে সেই চ্যানেলটি এখনো খোলা রয়েছে বলে মধ্যপ্রাচ্যের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময় এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে চলমান সংঘাত আরও তীব্র আকার নিয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ইরানের একাধিক কৌশলগত এলাকায় বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে, আর যুক্তরাষ্ট্র বাহরাইনে থাকা নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আরও জানায়, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি গোপন যোগাযোগ চ্যানেল সক্রিয় ছিল। সেই পথ ধরেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে কাতার থেকে এলএনজিবাহী দুটি জাহাজ চলাচল করতে পেরেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের সর্বশেষ কড়া মন্তব্যের পর ইরান ওই যোগাযোগও বন্ধ করে দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি কূটনৈতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় আপাতত যুদ্ধবিরতির আলোচনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তবে পরোক্ষ যোগাযোগ চালু থাকায় সম্পূর্ণ কূটনৈতিক দরজা এখনও বন্ধ হয়ে যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যে এ অবস্থায় নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ