পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আগামী ২৩ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত সরকারি সফরে চীন যাচ্ছেন। এমন এক সময় এই সফর হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা চলছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সফরকালে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। ধারণা করা […]
ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আগামী ২৩ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত সরকারি সফরে চীন যাচ্ছেন। এমন এক সময় এই সফর হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা চলছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সফরকালে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও বৈঠকে বসবেন শাহবাজ শরিফ।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, বেইজিং পাকিস্তানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সংঘাত নিরসনে ইসলামাবাদের ভূমিকার প্রতিও সমর্থন রয়েছে চীনের।
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, বিশ্লেষকদের ধারণা—মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে পরিস্থিতি, সফরের আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতার পর চীন ও পাকিস্তান উভয়ই কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প ও পুতিনের সঙ্গে আলোচনার পর শাহবাজ শরিফের এই চীন সফর আঞ্চলিক কৌশলগত ভারসাম্যে নতুন বার্তা দিতে পারে। বিশেষ করে বেইজিং-ইসলামাবাদ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার দিকেই নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।
সফর ঘিরে ইতোমধ্যে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এটি শুধু দ্বিপক্ষীয় সফর নয়; বরং বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পদক্ষেপ।