মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন পোপ লিও চতুর্দশ। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, গির্জার কাজ রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়া নয়; বরং শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। তাই ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ বা সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন বলেও মন্তব্য করেন। আলজেরিয়া সফরের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পোপ লিও চতুর্দশ বলেন, তারা কোনো রাজনীতিবিদ নন, বরং শান্তি […]
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন পোপ লিও চতুর্দশ। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, গির্জার কাজ রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়া নয়; বরং শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। তাই ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ বা সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন বলেও মন্তব্য করেন।
আলজেরিয়া সফরের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পোপ লিও চতুর্দশ বলেন, তারা কোনো রাজনীতিবিদ নন, বরং শান্তি স্থাপনকারী। তাঁর ভাষায়, গির্জার দায়িত্ব হলো মানুষের কাছে সুসমাচারের বাণী পৌঁছে দেওয়া এবং শান্তির পক্ষে কথা বলা। একই সঙ্গে তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসনকে তিনি ভয় পান না এবং তাঁর এই অবস্থান থেকে তিনি সরে আসবেন না।
পোপ আরও বলেন, পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে তাঁর ও ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, একজন শান্তি স্থাপনকারী হিসেবে তাঁকে সুসমাচারের বাণীর ওপরই নির্ভর করতে হবে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও তাঁর মূল অবস্থান থাকবে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও শান্তির পক্ষে।
পোপের এই মন্তব্য ক্যাথলিক বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ওএসভি নিউজ-এর এক সাংবাদিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। এরপরই বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যসহ নানা অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পোপের এই বক্তব্য ধর্মীয় নেতৃত্বের নৈতিক অবস্থানকেও নতুন করে সামনে এনেছে।
এর আগে রোববার এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প পোপ লিও চতুর্দশকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেন। তিনি তাকে অপরাধ দমনে দুর্বল এবং পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে অকার্যকর বলেও মন্তব্য করেন। সেই আক্রমণের জবাবেই পোপের এই সরাসরি প্রতিক্রিয়া এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ধর্মীয় নেতা ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বাকযুদ্ধ শুধু ব্যক্তিগত সমালোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা বিশ্ব রাজনীতি, নৈতিক নেতৃত্ব এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রশ্নেও নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।