আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির পাশাপাশি দুই নেতা আলাদা বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন। মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্প বৈশ্বিক অর্থনীতি, […]
ছবি: সংগৃহীত
আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির পাশাপাশি দুই নেতা আলাদা বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন।
মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্প বৈশ্বিক অর্থনীতি, সরবরাহ ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অবৈধ অভিবাসন এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে অন্যান্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতিও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনা বিশ্ববাজারে প্রভাব ফেলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং চুক্তি চূড়ান্ত হলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালু হওয়ার পথ তৈরি হতে পারে।
ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ও আঞ্চলিক সংকট নিরসনে একটি সমঝোতা কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে এবং চুক্তির চূড়ান্ত বিষয়গুলো এখনও নির্ধারণ করা হচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প-মোদি বৈঠকে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, প্রযুক্তি সহযোগিতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি গুরুত্ব পেতে পারে। বিশেষ করে ইরান সংকট এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বর্তমানে বিশ্বনেতাদের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।