বিশ্বখ্যাত ফুটবল তারকা Mesut Özil আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি তুরস্কের সহায়তায় সংস্কারকৃত শহীদ বুদ্ধিজীবী মর্তুজা মেডিকেল সেন্টার উদ্বোধন করেন। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রটি নতুনভাবে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। সাবেক জার্মান জাতীয় দলের এই ফুটবলার এবং Real Madrid ও Arsenal-এর সাবেক মিডফিল্ডার উদ্বোধনের পর নবনির্মিত মেডিকেল সেন্টারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে […]
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বখ্যাত ফুটবল তারকা Mesut Özil আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি তুরস্কের সহায়তায় সংস্কারকৃত শহীদ বুদ্ধিজীবী মর্তুজা মেডিকেল সেন্টার উদ্বোধন করেন। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রটি নতুনভাবে আধুনিকায়ন করা হয়েছে।
সাবেক জার্মান জাতীয় দলের এই ফুটবলার এবং Real Madrid ও Arsenal-এর সাবেক মিডফিল্ডার উদ্বোধনের পর নবনির্মিত মেডিকেল সেন্টারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ছবি তোলেন।
ওজিলের উপস্থিতিতে পুরো ক্যাম্পাসে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। অসংখ্য শিক্ষার্থী ও ভক্ত মেডিকেল সেন্টারের আশপাশে ভিড় করেন তাকে এক নজর দেখার জন্য।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে একটি স্মারক উপহার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট Recep Tayyip Erdoğan-এর পুত্র Bilal Erdoğan।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বিলাল এরদোয়ান জানান, মেসুত ওজিল কক্সবাজার সফর করবেন এবং সেখানে রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে ফুটবল খেলবেন। এর মাধ্যমে তুরস্কের বিভিন্ন মানবিক সংস্থার চলমান সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গা শিশুদের মানসিক ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার কথা তুলে ধরেন তিনি।
তুরস্কের সহায়তায় আধুনিকায়ন
মেডিকেল সেন্টারটির সংস্কার ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে তুরস্কের সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা (টিকা)। সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ এরেনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ডাকসু ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এই সংস্কারের ফলে ঢাবির শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত ও সহজলভ্য হবে এবং ক্যাম্পাসে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা জোরদার হবে।