প্রায় তিন বছর আগে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১১২ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করে গাজা সিটিতে গণদাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা মরদেহগুলো সম্প্রতি উদ্ধার হওয়ায় স্বজনদের মধ্যে শোকের আবহ নেমে এসেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা সিটির দক্ষিণাঞ্চলের সাবরা এলাকার আবু শারিয়াহ ও হাসাইনা পরিবারের সদস্যদের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। গাজার […]
ছবি: সংগৃহীত
প্রায় তিন বছর আগে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১১২ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করে গাজা সিটিতে গণদাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা মরদেহগুলো সম্প্রতি উদ্ধার হওয়ায় স্বজনদের মধ্যে শোকের আবহ নেমে এসেছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা সিটির দক্ষিণাঞ্চলের সাবরা এলাকার আবু শারিয়াহ ও হাসাইনা পরিবারের সদস্যদের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সিভিল ডিফেন্স নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করার পর তাদের দাফনের ব্যবস্থা করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই হামলার দিন শুধু গাজা সিটিতেই ৩০৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিও ছিলেন।
গাজা সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, জ্বালানির সংকট এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে দীর্ঘ সময় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা সীমিত সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন, যাতে তাদের মর্যাদার সঙ্গে দাফন করা যায়।
কর্মকর্তারা বলছেন, এই গণদাফন গাজায় চলমান মানবিক সংকটের ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। তাদের ধারণা, এখনো ধ্বংস হয়ে যাওয়া বহু ভবনের নিচে অসংখ্য মরদেহ চাপা পড়ে রয়েছে, বিশেষ করে গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলের মতো সংঘাতপ্রবণ এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক পরিবার এখনও তাদের নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজে পাননি। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহ উদ্ধারে পর্যাপ্ত সক্ষমতা না থাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রমও ধীরগতিতে চলছে।
গাজা সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা জানান, উদ্ধার অভিযানের সময় অনেক ক্ষেত্রে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষের কণ্ঠস্বর কয়েক দিন পর্যন্ত শোনা গেলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে তাদের সময়মতো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা