সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

খেলাধুলা
২:৪৬ এএম, ৩১ আগস্ট ২০২৫

দলে যাওয়া সাইফ হাসান দিলেন আস্থার দারুণ প্রতিদান

সাইফ হাসান ও নুরুল হাসান সোহানকে দলে নেওয়ার পর তাদের নিয়ে পরিকল্পনা কী, এ নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে সাইফ হাসান নিজেকে টেস্ট ক্রিকেটার হিসাবে পরিচিত করে ফেলেছিলেন। তবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে তার বোলিং কাজে লাগাতে চেয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রধান নির্বাচকের ভাষায় এমন গুণ তাকে বানিয়ে দেয় ‘হরফন মওলা’। সিলেটে প্রস্তুতির শেষ কয়েকদিনে সাইফ […]

দলে যাওয়া সাইফ হাসান দিলেন আস্থার দারুণ প্রতিদান
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

সাইফ হাসান ও নুরুল হাসান সোহানকে দলে নেওয়ার পর তাদের নিয়ে পরিকল্পনা কী, এ নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে সাইফ হাসান নিজেকে টেস্ট ক্রিকেটার হিসাবে পরিচিত করে ফেলেছিলেন। তবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে তার বোলিং কাজে লাগাতে চেয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রধান নির্বাচকের ভাষায় এমন গুণ তাকে বানিয়ে দেয় ‘হরফন মওলা’।

সিলেটে প্রস্তুতির শেষ কয়েকদিনে সাইফ হাসানকে নিয়ে ব্যাটিংয়ে বেশি কাজ করেছেন কোচ ফিল সিমন্স। তবে যে বোলিং দেখতে চেয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্ট, সেখানে পুরোপুরি সফল সাইফ।

এর আগে পাঁচ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা সাইফ সব মিলে বল করেছিলেন ৫.১ ওভার। কাল সিলেটে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন তিনি। ২০২৩ এশিয়াডের পর প্রথমবার বাংলাদেশের হয়ে ম্যাচ খেলেন সাইফ।

ওই এশিয়াডে বাংলাদেশের অধিনায়কত্ব করা সাইফ অফ-স্পিনে কাল পেয়েছেন নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসের উইকেট। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় উইকেটটিও পেতে দেরি হয়নি সাইফের। চতুর্থ বলে উইকেট নেওয়ার পর পঞ্চম বলে ওয়াইড করা সাইফ শেষ বলে পান আরেকটি উইকেট। এবার ডিপ মিডউইকেটে তাওহিদ হৃদয়ে ক্যাচ হয়েছেন নিদামানুরু (২৬ বলে ২৬)। দুই ওভার বোলিং করা সাইফ ১৮ রানে নেন দুটি উইকেট।

এখানেও যদি তার রাতটা শেষ হতো, তাহলে তার প্রত্যাবর্তনটাকে বেশ রঙিনই বলতে হতো। কিন্তু সাইফ তার আলোটা ছড়িয়েছেন ব্যাটিংয়েও। বছর তিনেক আগে যখন দল থেকে জায়গা হারিয়েছিলেন, তখন সাইফ হাসান নামটা শুনলেই চোখে ভেসে উঠত প্রচণ্ড আড়ষ্ট এক ব্যাটারের ছবি, যিনি রানের জন্য হাঁসফাঁস করছেন।

তবে গতকাল দেখা মিলল অন্য এক সাইফের। এই সাইফ এমন একজন, যিনি রান তুলছেন সাবলীল গতিতে, হাঁসফাঁস করছেন না আদৌ, ছক্কাও হাঁকাচ্ছেন অবলীলায়। তিনি উইকেটে যখন এসেছিলেন, দল তখন জয় থেকে ছিল ৪৫ রানের দূরত্বে।

তিনি সে সুতোয় ঢিল পড়তে দেননি। শুরুতে স্ট্রাইক রোটেট করেছেন, একটু সেট হয়েছেন যখন, ঝড় তুলেছেন ব্যাটে। একটা চার আর তিন ছক্কা এল তার ব্যাটে। ম্যাচটাও শেষ করলেন দারুণভাবে।

ব্যাটার-বোলার সাইফের এমন বদলে যাওয়ার গল্পটা শুরু তিনি যখন জাতীয় দলের সার্কিট থেকে অনেক দূরে, তখন থেকে। ব্যাট হাতে কাজ করেছেন, নতুন নতুন শট যোগ করেছেন, তার ফল এই বদলে যাওয়া। সেটা ম্যাচের ইনিংস বিরতিতেও তিনি বলেছেন। তার কথা, ‘এই জায়গায় আসার পেছনে অনেক কঠোর পরিশ্রম ছিল। আজ সুযোগটা পেলাম, সর্বোচ্চটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি।’

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ