ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার নামাপাড়া গ্রামের ৩০ বছর বয়সী আব্দুর রহিম পরিবারের অভাব ঘোচাতে বিদেশে গিয়েছিলেন। কিন্তু দালালের প্রতারণায় শেষ পর্যন্ত রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হন। গত ২ এপ্রিল রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেন সীমান্তে ড্রোন হামলায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের কাছে খবর পৌঁছেছে। রহিমের পরিবার জানায়, তিনি প্রথমে সিঙ্গাপুরে কাজ করেছিলেন। পরে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দালালের […]
ছবি: সংগৃহীত
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার নামাপাড়া গ্রামের ৩০ বছর বয়সী আব্দুর রহিম পরিবারের অভাব ঘোচাতে বিদেশে গিয়েছিলেন। কিন্তু দালালের প্রতারণায় শেষ পর্যন্ত রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হন। গত ২ এপ্রিল রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেন সীমান্তে ড্রোন হামলায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের কাছে খবর পৌঁছেছে।
রহিমের পরিবার জানায়, তিনি প্রথমে সিঙ্গাপুরে কাজ করেছিলেন। পরে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দালালের মাধ্যমে রাশিয়ায় যান। পরিবারের কাছে বলা হয়েছিল তিনি শিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন। পরে “ভালো চাকরির” প্রলোভন দেখিয়ে আরও টাকা নেওয়া হয় এবং অজান্তেই তাকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।
রাশিয়ায় থাকা আরেক বাংলাদেশি যুবক লিমন দত্ত রহিমের পরিবারকে জানান, ড্রোন হামলায় রহিম নিহত হয়েছেন। একই হামলায় কিশোরগঞ্জের আরেক তরুণ রিয়াদও মারা যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রুশ সেনার পোশাকে রহিমের ছবিও দেখেছেন স্বজনরা।
রহিমের বাবা আজিজুল হক বলেন, ছেলেকে ওয়েল্ডিংয়ের কাজে বিদেশে পাঠাতে ধারদেনা ও জমি বন্ধক রেখে প্রায় ৯ লাখ টাকা খরচ হয়েছিল। এখন পরিবারের একমাত্র দাবি—ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হোক।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মরদেহ দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হবে এবং দালাল শনাক্ত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।