সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

জাতীয়
৭:৩৯ এএম, ৮ অক্টোবর ২০২৫

দাসত্ব থেকে মুক্তির আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার: স্বনির্ভরতার পথে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ এখন আর পরনির্ভরতার জালে আটকে থাকতে চায় না—এই দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “আমাদের আর দাসত্বের মধ্যে থাকতে হবে না। স্বনির্ভর হতে হবে, এবং যত দ্রুত সম্ভব পরনির্ভরতার চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।” এই সভা মূলত দেশের স্বল্পোন্নত […]

দাসত্ব থেকে মুক্তির আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার: স্বনির্ভরতার পথে বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশ এখন আর পরনির্ভরতার জালে আটকে থাকতে চায় না—এই দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “আমাদের আর দাসত্বের মধ্যে থাকতে হবে না। স্বনির্ভর হতে হবে, এবং যত দ্রুত সম্ভব পরনির্ভরতার চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।”

এই সভা মূলত দেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের মসৃণ ও টেকসই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে গঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং বাস্তবায়ন নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এখানে দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “স্বনির্ভরতার জন্য আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি। বুদ্ধি ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে সক্ষম করে তুলতে হবে। এ পথ কঠিন হলেও এতে রয়েছে উন্নতির আনন্দ। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের এই আত্মনির্ভরতার রূপান্তর অপরিহার্য।”

তিনি আরও তুলে ধরেন, এই জাতির যুবসমাজের উদ্যম ও সৃজনশীলতাই বাংলাদেশের শক্তি। এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে আত্মনির্ভর করে তোলা গেলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে। “আমরা আর দাসত্বের শৃঙ্গ থেকে মুক্ত হতে চাই,” যোগ করেন তিনি।

সভায় অর্থ, বাণিজ্য, শিল্প, পররাষ্ট্র, কৃষি, পরিকল্পনা, স্বরাষ্ট্র, পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপদেষ্টারা এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এনবিআর চেয়ারম্যান, বাণিজ্য ও শিল্প সংগঠনের শীর্ষ নেতারা এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

এই ধরনের উদ্যোগ দেশের টেকসই উন্নয়নের পথে এক মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সকল স্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন, যা দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত করবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ