Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

জাতীয়
৩:৫৭ পিএম, ২ জুলাই ২০২৬

দুই দশক পর দেশের ভিসা ব্যবস্থায় বড় সংস্কারের উদ্যোগ

দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর দেশের জাতীয় ভিসা নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নতুন জাতীয় ভিসা নীতিমালার একটি খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সেটি মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি। […]

দুই দশক পর দেশের ভিসা ব্যবস্থায় বড় সংস্কারের উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর দেশের জাতীয় ভিসা নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নতুন জাতীয় ভিসা নীতিমালার একটি খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সেটি মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি।

তিনি জানান, পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিস্তার এবং বিনিয়োগ ও পর্যটনের নতুন চাহিদা বিবেচনায় রেখে ভিসা নীতিমালাকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পারস্পরিক সম্পর্ক ও সৌহার্দ্য আরও জোরদার করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটন খাতকে উৎসাহিত করতেই এই নতুন ভিসা নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০০৬ সালে গঠিত ভিসা পলিসি সহজ করার জন্য কাজ করেছে সরকার। এই লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশে আগমন, অবস্থান ও প্রস্থানের প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল, আধুনিক এবং সেবামুখী করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিকতার নীতি অনুসরণের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

ড. নাসিমুল গনি বলেন, ‘ভিসা নীতিতে আগে থেকে যে দেশ কালো তালিকাভুক্ত ছিল, সেই অবস্থান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন উদ্দেশ্য বিবেচনায় ভিসাকে ৩৪টি পৃথক ক্যাটাগরিতে বিন্যস্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যেগুলো পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

জানা গেছে, ব্যবসা, বিনিয়োগ, গবেষণা, শিক্ষা, পর্যটন, চিকিৎসা, মানবিক সহায়তা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, সাংবাদিকতা এবং পারিবারিক পুনর্মিলনসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে পৃথক ভিসা শ্রেণি নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে খসড়ায়। এসব ক্যাটাগরির আওতায় ভিসার মেয়াদ, নবায়ন এবং শর্তাবলিও আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, নতুন নীতিমালা নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে এবং এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এসব বিষয়ে সার্বিকভাবে ৫টি ভিন্ন আলোচনা হয়েছে, তবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।

সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, ২০০৬ সালে প্রণীত বিদ্যমান ভিসা নীতিমালা বর্তমান আন্তর্জাতিক বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গত দুই দশকে বৈশ্বিক বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, পর্যটন এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের ভিসা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও বিনিয়োগবান্ধব করে তোলাই নতুন নীতিমালার প্রধান লক্ষ্য।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ