সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বাংলাদেশ
৩:১৫ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২৬

দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভ, নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ ৮০ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে জনরোষ ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার আশঙ্কায় নিজেদের কার্যালয় ও উপকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা চেয়েছে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বুধবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করা হয়। আবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি সংকট ও তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে […]

দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভ, নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ ৮০ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে জনরোষ ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার আশঙ্কায় নিজেদের কার্যালয় ও উপকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা চেয়েছে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

বুধবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করা হয়।

আবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি সংকট ও তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রায় ৫ কোটি। এর মধ্যে প্রায় ৪ কোটি গ্রাহক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেবা পান। অর্থাৎ মোট গ্রাহকের প্রায় ৮০ শতাংশই তাদের আওতাধীন। দেশের উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৬০ শতাংশও এসব সমিতির মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।

তবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো নিজেরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না। জাতীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দ পাওয়া বিদ্যুৎ চাহিদা অনুযায়ী গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করে থাকে।

অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, গত কয়েকদিনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর সম্মিলিত গড় চাহিদা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট। বিপরীতে গড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন স্থানে ক্ষুব্ধ মানুষ পল্লী বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর করছেন বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে বিদ্যুৎ সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

এ অবস্থায় দেশের প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চলমান বিদ্যুৎ সংকটের কারণে জনগণের ক্ষোভের দায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর ওপর পড়ছে। অথচ বিদ্যুৎ উৎপাদন বা জাতীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সমিতিগুলোর কোনো ভূমিকা নেই।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ