দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত ও সক্রিয় মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিরের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে চারটি […]
ছবি: সংগৃহীত
দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত ও সক্রিয় মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিরের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে চারটি মোবাইল অপারেটর কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি মালিকানাধীন টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের পাশাপাশি গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড দেশের মোবাইল সেবা খাতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অপারেটরের নিবন্ধিত সিমের মোট সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ।
একই অধিবেশনে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান বেলালের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ডাক বিভাগের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস ও পোস্ট পিকআপ পয়েন্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ই-কমার্স ও এফ-কমার্স খাতকে সহায়তা দিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রসেসিং, বাছাই, পরিবহন ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, সরকারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপকে বিনিয়োগের জন্য অনুমোদন দিয়েছে। তবে বিভিন্ন শর্ত ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় মতপার্থক্যের কারণে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কার্যক্রম বাতিল হয়েছে।
তিনি জানান, চূড়ান্তভাবে ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিনিয়োগ পাওয়া উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে চালডাল, টেন মিনিট স্কুল, সেবা প্ল্যাটফর্ম এবং ট্যুর বুকিং বাংলাদেশ।
অন্যদিকে নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশে ইতোমধ্যে ফোরজি সেবা সার্বজনীন করা হয়েছে এবং ফাইভজি প্রযুক্তির বিস্তারেও কাজ করছে সরকার।
তার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজধানীর বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকাসহ প্রায় ৪০টি স্থানে সীমিত আকারে ফাইভজি সেবা চালু রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা ও সিলেটসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে মোট ৪০০টিরও বেশি পয়েন্টে ফাইভজি নেটওয়ার্কের সেবা পাওয়া যাচ্ছে।