দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৭৯৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ […]
ছবি: সংগৃহীত
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৭৯৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে সিলেটে দুজন, রাজশাহীতে একজন এবং ময়মনসিংহে একজন রয়েছে।
এর আগে গত ২৬ জুন দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছিল। মাত্র ২৬ দিনের ব্যবধানে সেই সংখ্যা বেড়ে ৭৯৭-এ পৌঁছেছে।
একই সময়ে দেশে নতুন করে ১ হাজার ৮ জন শিশু হাম বা হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে ১৩০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৫৬ জন শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে ১৪ হাজার ৭০৮ জনের হাম নিশ্চিত করা হয়েছে।
একই সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ২৪৪ জন শিশু। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৯৮ হাজার ৪১১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আক্রান্ত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় জনস্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ, আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হলে রোগটির বিস্তার ও মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।